এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > বিজেপি > চন্দননগরের রোডশো থেকে তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ ও হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

চন্দননগরের রোডশো থেকে তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ ও হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট –  আজ চন্দননগরে রোডশো ও জনসভা শুভেন্দু অধিকারীর। তালডাঙ্গা মোড় থেকে শুরু হয়ে সার্কাস ময়দান পর্যন্ত তার রোডশো। আজ বিজেপির কৃষক সুরক্ষা অভিযান কর্মসূচিতে যোগদান করেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত আছেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং, পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো প্রমুখরা। এবার চন্দননগরে সভা করতে চলেছেন তিনি।

বহু বিজেপি কর্মী সমর্থক উপস্থিত হন এই মিছিলে। ব্যাপক জনসমাগম হয়েছে এই রোডশোতে। রোডশো থেকে শাসকদল তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ ও হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারীর জানালেন যে, রাজনৈতিক অস্থিরতায় ভুগছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ কারণেই নন্দীগ্রাম থেকে তিনি প্রার্থী হচ্ছেন। এদিকে আজ দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। তাঁকে বিজেপিতে আসার বার্তা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী জানালেন যে, বিধায়ককে তিনি বলবেন মুখ না খুলে সিদ্ধান্ত নিতে। তিনি কোম্পানির কর্মচারী হয়ে থাকবেন? নাকি রাজনৈতিক কর্মী তিনি হবেন? সে বিষয়ে তাঁকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

প্রধানমন্ত্রীকে প্রশংসা করে শুভেন্দু অধিকারী জানালেন যে, মাওবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দেশজুড়ে জব্দ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরকম একজন শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী একজন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে আগে কখনো দেখেননি তিনি। তিনি জানালেন যে, বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা রাস্তায় নেমেছেন। চন্দননগরে অল্প যা কিছু গ্যাপ ছিল, তা তাঁরা মেকআপ করে দিয়েছেন। শাসকদল তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি জানালেন যে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে হুগলি থেকে শুন্য পাবে তৃণমূল। ২০১৯ এ তৃণমূল হাফ হয়ে গিয়েছিল। ২০২১ এ হয়ে যাবে সাফ। তৃণমূল তাঁকে কোন ভাবেই আটকে রাখতে পারবে না।

তালডাঙ্গার মোড় থেকে জিটি রোড ধরে সার্কাস মাঠ পর্যন্ত চলছে রোডশো। তাঁর এই রোডশোতে অশান্তি বাধার বড়সড় আশঙ্কা ছিল। কারণ, বেশকিছু তৃণমূল কর্মী ও সমর্থককে কালো পতাকা নিয়ে জমায়েত হতে দেখা যায়। আজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বহু মানুষ উপস্থিত হয়েছেন এই রোডশোতে। রোডশো শেষে ধীরে ধীরে সভার দিকে এগিয়ে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

আজকের এই রোডশোতে বিতর্কিত গোলি মারো স্লোগান উঠেছিল। চন্দননগরের রথতলা মোড়ের কাছে এই বিতর্কিত স্লোগান দিতে দেখা গিয়েছে বিজেপি কর্মীদের। বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশের বিশ্বাসঘাতকদের সেনাবাহিনী গুলি করে মারুক, এই শ্লোগানই দিয়েছে বিজেপি।
অন্যদিকে আজ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন শান্তিপুরের বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য। বিজেপিতে যোগদান করে তিনি জানালেন, ” পেশা ছেড়ে অনেক স্বপ্ন নিয়ে রাজনীতিতে এসেছিলাম। আমার হাত-পা বাঁধা ছিল। যোগ্য লোকেদের কাজ দেওয়া হয়নি। ”

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!