এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > চাকরিতে টাকা চাইলে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার নিদান অনুব্রতর! জেনে নিন

চাকরিতে টাকা চাইলে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার নিদান অনুব্রতর! জেনে নিন



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বিভিন্ন সময় বিরোধীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, রাজ্যে টাকা ছাড়া চাকরি হয় না। চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বিভিন্ন তৃণমূল নেতারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করে বিরোধীরা। আর এই পরিস্থিতিতে সামনে যখন বিধানসভা নির্বাচন, ঠিক তখনই সেই চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে যাতে কোনো দুর্নীতি না হয়, তার জন্য যারা টাকা চাইবে, তাদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার নিদান দিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। যাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে বলছেন, সামনে নির্বাচন। তাই এখন দূর্নীতির করাল গ্রাস থেকে নিজেদেরকে মুক্ত করতে তৃণমূল নেতাদের মুখ থেকে এই ধরনের মন্তব্য শোনা যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকে প্রায় সাড়ে 16 হাজার শূন্যপদ পূরণের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে দ্রুত এ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে আর এই নিয়োগ নিয়ে যাতে কোনো দুর্নীতি না হয় তার জন্য কার্যত সতর্ক করে দিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। এদিন বীরভূমের মুরাইয়ের একটি জনসভা থেকে তিনি বলেন, “প্রাথমিকে শূন্যপদ সাড়ে 16 হাজার। এই চাকরির জন্য কেউ টাকা চাইলে থানায় ফোন করে তাকে ধরিয়ে দিন। টাকা দিয়ে চাকরি হয় না। তাই জোড়হাত করে বলে যাচ্ছি, টাকা দেবেন না। কোনো ভুল করবেন না।” স্বাভাবিকভাবেই অনুব্রত মণ্ডলের এই মন্তব্যে এখন নতুন করে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

অনেকে বলছেন, অনুব্রত মণ্ডলকে কেন টাকা না দেওয়ার কথা বলতে হল! তাহলে কি এতদিন বিরোধীদের পক্ষ থেকে চাকরিতে দুর্নীতি হচ্ছে এবং টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে যে অভিযোগ তোলা হয়েছিল, তা সত্যি? তাই কি এখন সেই দুর্নীতি বন্ধ করতে প্রকাশ্যে কেউ টাকা দেবেন না বলে মন্তব্য করতে দেখা গেল বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতিকে! এদিন এই প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “তৃণমূল কর্মীরা টাকা নেননি। কিছু দালাল ঘুরে বেড়ান। তারাই টাকা নেন। তাই সেই দালালদের সতর্ক করে দেওয়া হল।” তবে বীরভূম জেলা সভাপতি যে কথাই বলুন না কেন, এতদিন যে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়া হয়েছে, তা তার মন্তব্য থেকেই কার্যত পরিষ্কার হয়ে গেল বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!