এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ফের কেন্দ্র সরকারের সিদ্ধান্তে বড়সড় বিতর্ক, জেনে নিন বিস্তারিত

ফের কেন্দ্র সরকারের সিদ্ধান্তে বড়সড় বিতর্ক, জেনে নিন বিস্তারিত



“নানা ভাষা, নানা মত, নানা পরিধান, বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান।” সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পূণ্যভূমি ভারতবর্ষের মাটিতে বারবার মহাপুরুষদের গলায় এই কথা শোনা গেছে। তবে ভারতবর্ষে রাজনীতির মধ্য দিয়ে মাঝেমধ্যেই ধর্মের উত্থান ঘটে। আর তাই তো বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজনীতিবিদদের দাপটে ভাষার ভিন্নতা চলে আসায় সেই ধর্মকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করে একাংশ। বর্তমানে দেশের শাসন ক্ষমতায় রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। মাঝেমধ্যেই সেই বিজেপি সরকার হিন্দুত্বের মধ্যে দিয়ে দেশবাসীকে বিভাজনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে বলে দাবি করে সমালোচকরা।

আর এহেন একটা পরিস্থিতিতে রেল স্টেশনগুলোর নামে হিন্দি এবং স্থানীয় ভাষা লেখার পাশাপাশি বহু স্টেশনেই ইংরেজি, উর্দু লেখা থাকতে দেখা গেছে। শুধু তাই নয়, এবার থেকে অনেক স্টেশনের নাম সংস্কৃতেও লেখা থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। বিশেষ সূত্র মারফত খবর, দেরাদুন, রুবকি, হরিদ্দারের মত স্টেশনগুলোতে এবার সেই স্টেশনের নাম সংস্কৃত ভাষায় লেখা থাকবে। তবে শুধু সংস্কৃত নয়, এর পাশাপাশি সেই স্টেশনগুলোর নাম ইংরেজি এবং হিন্দিতেও লেখা থাকবে বলে জানা গেছে।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ভারতীয় রেল বিভাগের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। যেখানে জানানো হয়েছিল, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের স্টেশনগুলির নাম হিন্দি, ইংরেজির পর আরও একটি দ্বিতীয় ভাষায় লেখা থাকতে হবে। যেক্ষেত্রে উত্তরাখণ্ডের সরকার সংস্কৃত ভাষাকে বেছে নিয়েছে। আর নানা ভাষা, নানা পরিধানের ভারতবর্ষে স্টেশনের নামের ক্ষেত্রে হিন্দি, ইংরেজির পর সংস্কৃত ভাষা উত্তরাখণ্ডের সরকার ব্যবহার করায় নানা মহলে নানা গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।

অনেকে বলছেন, বিজেপি হিন্দুত্ববাদী দল। আর তাই তো উত্তরপ্রদেশে বিজেপি সরকার থাকায় তারা সংস্কৃত শব্দকে বেছে নিয়ে তৃতীয় ভাষা হিসেবে সেই শব্দ স্টেশনের নাম হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। তবে শুধু উত্তরাখণ্ড নয়, ভবিষ্যতে দেশের সব প্রান্তের স্টেশনে ক্ষেত্রেই ভাষার ব্যবহার আসবে বলে জানা যাচ্ছে। তবে উত্তরাখণ্ডের স্টেশনে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে সংস্কৃত ব্যবহার হওয়ায় কোনো মহলের তরফে কোনো বাধা আসে কিনা! সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!