এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > চিটফান্ড কাণ্ডে সিবিআই অফিসার কেন পাল্টালো? সামনে এলো বিস্ফোরক তথ্য!

চিটফান্ড কাণ্ডে সিবিআই অফিসার কেন পাল্টালো? সামনে এলো বিস্ফোরক তথ্য!



নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে অনেকদিন ধরেই সরব হয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এই আইন বাতিলের দাবিতে রাস্তায় নেমে প্রবল গর্জন দেখা গিয়েছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তবে এরই মাঝে নিজেদের মতকে জনসাধারনের কাছে তুলে ধরতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নরেন্দ্র মোদির মধ্যে সমঝোতা রয়েছে বলে মাঝেমধ্যেই দাবি করতে দেখা যায় প্রদেশ কংগ্রেসকে।

তবে রাজনৈতিক ভাবে কিছুটা অস্তিত্বহীনতায় ভোগা কংগ্রেসের মতকে সেভাবে মানতে রাজি ছিল না বাংলার অধিকাংশ মানুষ। কিন্তু সম্প্রতি নাগরিকত্ব আইন নিয়ে তৃণমূল, বিজেপির চরম বিরোধিতার মধ্যেই রাজ্যে আসেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী। যেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নরেন্দ্র মোদির সাক্ষাৎকার নিয়ে তাদের দুজনের সমঝোতার ব্যাপারটি তারপর থেকেই তুলে ধরে সোচ্চার হন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী।

আর এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নরেন্দ্র মোদির সাক্ষাতের পর সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসারদের রদবদল নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়ে সরব হলেন অধীরবাবু। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সারদা মামলার আইও তথাগত বর্ধন এবং নারোদা মামলার আইও রঞ্জিত কুমারকে দিল্লিতে বদলি করা হয়েছে।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এছাড়াও রোজভ্যালি মামলার 2 আইওকে ভুবনেশ্বরে বদলি করা হয়েছে। আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বনাম কেন্দ্রের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে সাক্ষাৎকারের পর এই রাজ্যের শাসকদলের অস্বস্তিতে ফেলা এই সমস্ত কান্ডের আইওদের বদলি করা নিয়ে দুই দলের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে বলে দাবি করে জাতীয় কংগ্রেস। ফলে এবার সেই বিষয়টিকে তুলে ধরেই দুই দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন লোকসভার কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী।

সূত্রের খবর, এদিন অধীর চৌধুরী বলেন, “রাজভবনে আলোচনার পর সিবিআই অফিসার পাল্টে গেল। মমতাকে বাঁচাতেই সিবিআইয়ের এই রদবদল হয়েছে। মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট হয়ে গিয়েছে। চিটফান্ড কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত এখনও অথৈ জলে। আসলে মোদিকে এখন মমতার দরকার।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেছে বেছে রাজ্যের শাসকদলকে অস্বস্তিতে ফেলে এই মামলাগুলোর ক্ষেত্রে তদন্তকারী অফিসারদের এই রদবদল কেন! তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আর সেই প্রশ্ন তুলে দিয়েই দুই দলের সমঝোতার ব্যাপারটিকে সকলের সামনে এনে তৃণমূল, বিজেপিকে অস্বস্তিতে ফেলতে চাইলেন অধীর চৌধুরী বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!