এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > Breaking News, একেবারে মুখ্যমন্ত্রীর গড়ে গিয়ে প্রচারের ঝড় তুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Breaking News, একেবারে মুখ্যমন্ত্রীর গড়ে গিয়ে প্রচারের ঝড় তুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – চতুর্থ দফার নির্বাচনের পূর্বে আজ রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ প্রথমে সাংবাদিক বৈঠকে যোগদানের পর নির্বাচনী প্রচারে অংশ গ্রহণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর গড় ভবানীপুরে গিয়ে বাড়ি বাড়ি প্রচারে অংশগ্রহণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর সঙ্গেই প্রচারে থাকলেন এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ।

আজ মুখ্যমন্ত্রীর গড় ভবানীপুরে গিয়ে এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। স্থানীয় বাসিন্দাদের হাতে নিজেই লিফলেট তুলে দিলেন তিনি। এরপর ভবানীপুরের এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজন চললো কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

আজ ভবানীপুরে দীর্ঘসময়ের বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঘটা করে মধ্যাহ্নভোজন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বাড়ি পৌঁছাতেই তাঁকে আম পান্না ও তরমুজের রস দিয়ে অভ্যর্থনা জানালেন বাড়ির সদস্যরা। এরপর জিরে ভাত, রুটি, লুচি কুমড়ো ভাজা, বেগুন ভাজা, ছানার ডালনা, ধোকা, নরম পাকের সন্দেশ, নলেন গুড়ের রসগোল্লা দিয়ে সাদরে মধ্যাহ্নভোজন করালেন তাঁরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে, আজ সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানালেন যে, গত ২০১৯ সালের পর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। তখন তাঁর আশঙ্কা ছিল, রাজ্যে বিজেপি জিততে পারবে কি? কিন্তু এরপর ১৮ টি আসন পাওয়ার পর সমস্ত শঙ্কা দূর হয়ে গেছে। তিনি জানিয়েছেন সুন্দরবন, জঙ্গল মহলের নমশুদ্র, রাজবংশী থেকে শুরু করে বাংলা সমস্ত প্রান্তের মানুষেরা বিজেপির সঙ্গে রয়েছেন।

অশোক লাহিড়ী, স্বপন দাশগুপ্ত, বিজ্ঞানী গোবর্ধন দাসের মত মানুষেরা বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়াই করছেন। একসময় দেশের জিডিপিতে বাংলার অংশ ছিল ৩০ শতাংশ, এখন যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩.৩ শতাংশ। যা থেকে বোঝা যায় বাংলার পরিস্থিতি কতটা খারাপ হয়ে গেছে। বিজেপির ইশতেহারে সমস্ত স্তরের উন্নয়নের কথা রয়েছে।

সোনার বাংলার আর্থিক পুনরুদ্ধার করতে টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। বিনিয়োগের জন্য সরল পদ্ধতি আনা হবে। কলকাতাকে দেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী করা হবে। কলকাতার সমস্ত গলিতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। যার ফলে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য রোধ করা যাবে। আগামী পাঁচ বছরে কলকাতাকে দেশের আর্থিক রাজধানী করার চেষ্টা করা হবে।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!