এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বড়োদিনে দেশের কৃষকদের বিশেষ উপহার ও তাঁদের সঙ্গে বিশেষ ভার্চুয়াল বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

বড়োদিনে দেশের কৃষকদের বিশেষ উপহার ও তাঁদের সঙ্গে বিশেষ ভার্চুয়াল বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – আজ বড়দিনে দেশের কৃষকদের বিশেষ উপহার দিলেন ও কৃষকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিকে আজ শুক্রবার কেন্দ্রের নয়া কৃষি আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ কৃষকদের আন্দোলন এক মাস পূর্ণ হলো। আজ প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার পরবর্তী কিস্তির ১৮ হাজার কোটি টাকা দেশের কৃষকদের দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ বড়দিনের সকালে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ উপহার দিলেন দেশের কৃষকদের। সুইচ টিপে কৃষকদের একাউন্টে টাকা পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃষকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল ভাবে বৈঠক করলেন। আলোচনার শুরুতেই তিনি জানালেন যে, দেশের ৯ কোটি কৃষকের একাউন্টে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই পৌঁছে যাবে ২০০০ টাকা।

আজ মোট ৬ টি রাজ্যের কৃষকদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা নিজেদের কেন্দ্র থেকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলেন। দেশের কৃষকদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী জানালেন যে, কৃষকদেরকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। কৃষকদের তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, কোনভাবেই তাদের কাছ থেকে জমি কেড়ে নেওয়া হবে না। তিনি অভিযোগ করেছেন দেশজুড়ে মিথ্যা প্রচার চলছে। নয়া কৃষি আইনের পক্ষে আজ বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তবে প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মসূচিকে তীব্র প্রতিবাদ জানালো রাজ্য সরকার। এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের কোন কৃষক প্রধানমন্ত্রীর এই প্রকল্পের টাকা পান নি। এ প্রসঙ্গে বিজেপির আইটি সেলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত মালব্য অভিযোগ করেছেন যে, মুখ্যমন্ত্রী কৃষকদের তালিকা দিতে অস্বীকার করার কারণেই দেশের কৃষকরা তাদের একাউন্টে ১৮ হাজার কোটি টাকা পেলেও, বাংলা কৃষকেরা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পূর্বেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালেন তিনি। টুইট করে তিনি লিখেছেন, ” পিসির ইগোর কারণেই কৃষকদের এই দুর্দশা। ”

বিজেপির আইটি সেলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত মালব্য টুইট করে জানালেন যে, রাজ্যের মোট ৭২ লক্ষ কৃষকের মধ্যে ২৩ লক্ষ কৃষক এই প্রকল্পে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছিলেন, কিন্তু তাদেরকে স্বীকৃতি দেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেছেন এর ফলে রাজ্যের সকল কৃষকদের ১৪ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে। রাজ্যের মোট ক্ষতি হয়েছে ৯৮০০ কোটি টাকা। তিনি জানিয়েছেন যে, রাজ্যের ৫৫% জমি সেচ যোগ্য। কিন্তু নাবার্ডের সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৬ – ১৭ সালে কৃষকদের আয়ের ভিত্তিতে দেশের ২৯ টি রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ২৪ নম্বরে আছে। আজ, প্রধানমন্ত্রীর এই উপহার ও কৃষকদের সঙ্গে বৈঠক দেশের ক্ষুব্ধ কৃষকদের শান্ত করতে পারে কিনা? সে দিকেই দৃষ্টি সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!