এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁকে “বলির পাঁঠা” করা হয়েছে দাবি তুললেন মদন মিত্র

দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁকে “বলির পাঁঠা” করা হয়েছে দাবি তুললেন মদন মিত্র



সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের থেকে তিনিও সোশ্যাল সাইটের প্রতিযোগিতায় খুব একটা কম যান না। ফেসবুক লাইভে তিনি আসা মানেই কয়েক হাজার ফলোয়ার এবং সেখানে কমেন্টের বন্যা বয়ে যায়। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন তিনি রাজ্যের হেভিওয়েট নেতা মদন মিত্র। তবে অন্যান্য দিনের থেকে শনিবার তার ফেসবুক লাইভ কিছুটা বিস্ফোরক এবং ইঙ্গিতপূর্ন ছিল।

সূত্রের খবর, এদিন নিজের ফেসবুক লাইভে এসে মদন মিত্র বলেন, “আমাকে সিবিআই 22 মাস ধরে যখন গ্রেপ্তার করে রেখেছিল, তখন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছ থেকে আমাকে নিয়ে কোনো ভালো রিপোর্ট যায়নি। তাই এরকম ভাবার কোনো কারণ নেই যে তৃণমূল রয়েছে বলে কোনো ভালো রিপোর্ট গেছে, আর আমায় ছেড়ে দিয়েছে। আসল সত্য হচ্ছে সেন্ট্রাল এজেন্সি 5 মাস বাদে আদালতকে জানিয়েছিল যে মদন মিত্রের বিরুদ্ধে আমাদের যা অভিযোগ তিনি প্রভাবশালী। ওনাকে ছাড়লে প্রভাব বিস্তার করতে পারেন।”

আর রাজ্যের প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রীর এহেন দাবি ঘিরে এবার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা। তাহলে কি এই কথা বলে তিনি কারও কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা নেননি তা বুঝিয়ে দিয়ে দলের বিরুদ্ধেই পরোক্ষে চাপ বাড়ালেন তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতা! বস্তুত, প্রায় 22 মাস ধরে যখন মদন মিত্র জেলে ছিলেন, তখন দলের তরফে সেই ভাবে তার কোন খোঁজ খবর নেওয়া হয়নি।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

আর এতদিন সেই ব্যাপারে মুখ না খুললেও এবার ফেসবুক লাইভে এসে সেই কথাটাই যেন প্রমাণ করার চেষ্টা করলেন রাজ্যের এই প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। ফেসবুক লাইভে তিনি আরও বলেন, “2016 সালে ভোটের সময় নির্বাচনে দাঁড়িয়ে তিনি 43 বার প্যারোলের আর্জি জানিয়েছিলেন। তিনি যদি ভোট দিতেন তাহলে কামারহাটি থেকে তিনি হারতেন না।”

অন্যদিকে এদিন ছত্রধর মাহাতোর কথাও নিজের ফেসবুক লাইভে তুলে ধরেন মদনবাবু। তিনি বলেন, “ছত্রধর মাহাতো আমাকে জানিয়েছিল যে দেশদ্রোহীতার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি প্যারোল পেয়েছেন। কিন্তু আমাকে সেই প্যারোলটুকুও দেওয়া হয়নি। পরে জানতে পেরেছিলাম তৃনমূল সরকারের কারা দপ্তর থেকে এই প্যারোলের আবেদন চেপে যাওয়া হয়েছিল।” অন্যদিকে এদিন দলের একাংশের বিরুদ্ধেও মুখ খোলেন মদন মিত্র।

সিবিআই থাকা সত্ত্বেও অনেকে জয়লাভ করেছেন বলে তাকে জানালে এদিন সেই প্রসঙ্গে এই তৃণমূল নেতা বলেন, “সিবিআই সৌগত রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, ফিরহাদ হাকিম, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, অপরুপা পোদ্দার সবার বিরুদ্ধে রয়েছে।

আর মদন মিত্রের দাবি ‘সিবিাইয়ের ভাষায়’ তাঁকে ‘বলির পাঁঠা’ করা হয়েছে।” সব মিলিয়ে এবার ফেসবুক লাইভে এসে দলের একাংশ নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাজ্য রাজনীতিকে জমিয়ে দিলেন তৃণমূল নেতা মদন মিত্র।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!