এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ বিতর্কে মন্তব্য করে ফের বিতর্ক বাড়ালেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ বিতর্কে মন্তব্য করে ফের বিতর্ক বাড়ালেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ



আপনাদের সুবিধার্থে খবরের শেষে বিধানসভা ২০২১ উপলক্ষে আমাদের করা সর্বশেষ সমীক্ষার প্রতিটির লিঙ্ক দেওয়া আছে।

আপনার মতামত জানান -

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট –  বিজেপির বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করা হয়নি বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই অভিযোগে অনুষ্ঠান বয়কট করার কথা ঘোষণা করেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, তাঁকে ফোন করে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলেও, অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এ প্রসঙ্গে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করলেন যে, অনুষ্ঠানে সকলকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কেউ হয়তো ফোন ধরেননি। রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে আবার বিতর্ক শুরু হলো।

প্রসঙ্গত, প্রায় ১৪ মাস আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তাঁরা। এরপর দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হয়েছে, কিন্তু বিজেপি দলে কোন সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। দলের সঙ্গে দূরত্ব রেখেই চলছেন তিনি। কখনো কখনো শোভন চট্টোপাধ্যায় এর তৃণমূলে ফিরে যাবার গুঞ্জনও শোনা গেছে।

বিজেপিতে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ না করে কখনো আবার মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে ভাইফোঁটা নিয়েছেন, কখনো শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় একসঙ্গে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যোগদান করেছেন, কখনো নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হয়েছে। এই সমস্ত ঘটনা নিয়ে একাধিকবার বিতর্ক উঠেছে, তৃণমূল দলের আবার তাঁর ফিরে যাবার গুঞ্জন উঠেছে। এদিকে সামনেই আছে আগামী ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচন।

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি দলে তাঁকে সক্রিয় করে তুলতে তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৈঠকের পর জানা গিয়েছিল যে, এবার তারা বিজেপিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে চলেছেন। শোভন বাবুকে দলে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর গত শুক্রবার রাতে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন রাজ্য বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পর্যবেক্ষক অরবিন্দ মেনন এবং রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

শোভন বাবুর গোলপার্কের ফ্ল্যাটে দীর্ঘসময় ধরে বিজেপির এই দুই শীর্ষনেতাদের সঙ্গে তাঁদের বৈঠক চলে। অনেকেই মনে করেছিলেন যে, এবার রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে চলেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন যে, তৃণমূলে শোভন চট্টোপাধ্যায় যে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। এবার বিজেপিতেও তিনি এই ভূমিকায় পালন করতে চলেছেন। কিন্তু এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার দলের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কের ছন্দপতন ঘটলো।

শোভন চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন যে, আজ রবিবার বিজয়া সম্মেলনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবার জন্য বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোবাইলে ফোন করে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, কিন্তু আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই ঘটনার ফলে দলের প্রতি তিনি যথেষ্ট ক্ষুব্ধ হয়েছেন। দলে ‘ডিভাইড এন্ড রুল’ চলছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। দলের একাংশের বিরুদ্ধে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযোগ করেছেন যে, এভাবে দলের মধ্যে বিভাজনের রাজনীতির কায়েম করা হয়েছে। তবে, বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব আশা করছেন যে, অভিমান ত্যাগ করে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় দুজনই বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। অন্যদিকে আজ রবিবার সকালে রবীন্দ্র সরোবরের সাফারি পার্কে প্রাতঃভ্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এর পর তিনি আরএসএসের ক্যাম্পে গিয়েছিলেন। তারপর তিনি চা চক্রে যোগ দিয়েছিলেন। যেখান থেকে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় এর প্রতি মন্তব্য করলেন তিনি। যেখানে তিনি জানালেন যে, সকলকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। হয়তো কেউ ফোন ধরেননি।

এদিকে গতকাল বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং জানিয়েছিলেন যে, বর্ষিয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সহ ৫ জন তৃণমূল সাংসদ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করবেন। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানালেন যে, একসময় কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল এসেছিলেন সৌগত রায়। কাজেই, পরিবর্তন হতেও পারে। তিনি জানালেন, অর্জুন সিং নিজেও একসময় সেই দলেই ছিলেন।তিনি পুরোনো বন্ধু, তাই তাদের ব্যাপারটা ভালভাবেই বোঝেন তিনি। তবে, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে মন্তব্য করে যথেষ্ট বিতর্ক চড়ালেন রাজ্য সভাপতি। এখন তাঁরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন কিনা? সেদিকেই দৃষ্টি সকলের।

একনজরে দেখে নিন আমাদের সর্বশেষ বিধানসভা ২০২১ ওপিনিয়ন পোল –

# মালদহ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# উত্তর দিনাজপুরে জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# জলপাইগুড়ি ও কালিম্পঙ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# কুচবিহার জেলার ওপিনিয়ন পোল –

আপনার মতামত জানান -
আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!