এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিজেপিতে সক্রিয় হতেই শোভনের প্রতি নরম মনোভাব তৃণমূলের, বাড়ছে জল্পনা!

বিজেপিতে সক্রিয় হতেই শোভনের প্রতি নরম মনোভাব তৃণমূলের, বাড়ছে জল্পনা!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – তৃণমূল কংগ্রেসে থাকার সময় মন্ত্রী থেকে শুরু করে কলকাতা পৌরসভার মেয়রের মত গুরুত্বপূর্ণ একাধিক পদে ছিলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বৃত্তের মধ্যে ছিল তার বাস। কিন্তু সেই শোভন চট্টোপাধ্যায় বেশ কিছু বছর আগে যোগদান করেছেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে। তবে বিজেপিতে যোগদান করার পরেও নানা কারণে দলের সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়নি তাকে। তবে অনেক টালবাহানার পর অবশেষে সম্প্রতি বিজেপির একটি মিছিলে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে সেই শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং তার বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যেখান থেকে নিজের প্রাক্তন দল এবং প্রাক্তন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।

স্বাভাবিকভাবেই শোভনবাবু বিজেপিতে থাকলেও তিনি যেভাবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছিলেন, তাতে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করতে পারেন বলে মনে করা হয়েছিল। আর এই পরিস্থিতিতে শোভন চট্টোপাধ্যায় বিজেপিতে সক্রিয়ভাবে এখন তৃণমূল কংগ্রেসের যে অস্বস্তি বাড়বে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত বিশেষজ্ঞরা। আর এমত পরিস্থিতিতে এবার সেই শোভন চট্টোপাধ্যায়কে কি নিজেদের দিকে তার প্রতি দুর্বলতা প্রকাশ করতে কোনো বার্তা দিতে চাইল তৃণমূল কংগ্রেস! একাংশ বলছেন, তৃণমূলের একটি পদক্ষেপ অন্তত সেই জল্পনাতেই সীলমোহর দিতে চলেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত তৃণমূল ছেড়ে প্রায় 15 জনের মতো বিধায়ক বিজেপিতে যোগদান করেছেন। শুভেন্দু অধিকারী গেরুয়া শিবিরের নাম লেখানোর আগেভাগেই নিয়ম মেনে তিনি বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়েছেন। কিন্তু তার সাথে যে সমস্ত বিধায়ক বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন, তারা কেউ তাদের পদ থেকে ইস্তফা দেননি। স্বাভাবিকভাবেই সেই সমস্ত বিধায়কদের অবস্থান জানতে এবং তাদের চাপে ফেলতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

মূলত শাসক দলের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে যে, এই সমস্ত বিধায়কদের বর্তমান অবস্থান কি! কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে শীলভদ্র দত্ত থেকে শুরু করে শুভ্রাংশু রায়, তৃণমূল বিধায়কের রাজনৈতিক অবস্থান জানতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাদের চিঠি দেওয়া হলেও, এক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত চিঠি দেওয়া হয়নি শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। আর এখানেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, তাহলে কি শোভন চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি নরম মনোভাব পোষণ করছে তৃনমূল কংগ্রেস!

একাংশ বলছেন, শোভন চট্টোপাধ্যায় যদি সক্রিয়ভাবে বিজেপির হয়ে ময়দানে নামতে শুরু করেন, তাহলে তৃণমূলের ঘুম উড়তে শুরু করবে। কেননা কলকাতা এলাকায় শোভন চট্টোপাধ্যায়ের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। তাই তিনি যদি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে বিজেপির পক্ষে প্রচার শুরু করে দেন, তাহলে বিধানসভা নির্বাচনের আগে খাস কলকাতায় অস্বস্তি বাড়বে শাসক শিবিরের। তাই এই পরিস্থিতিতে শোভন চট্টোপাধ্যায় বিজেপির হয়ে সক্রিয়ভাবে ময়দানে নামতে না নামতেই দলবদলকারী অন্যান্য বিধায়কদের অবস্থান জানতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে চিঠি পাঠানো হলেও বাদ রইলেন সেই শোভন চট্টোপাধ্যায়।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

আর এখানেই একাংশ কার্যত নিশ্চিত যে, চাপে পড়েই সেই শোভন চট্টোপাধ্যায় প্রতি নরম মনোভাব প্রকাশ করে তাকে বার্তা দিতে চাইল তৃণমূল কংগ্রেস।তবে অনেকেই বলছেন, এই নিয়ে জল্পনার অবশিষ্ট কিছু নেই। কারণ শোভন চট্টোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই বিজেপিতে সক্রিয় হয়েছেন। মিছিলে উপস্থিত হয়েছেন। এমনকি সভা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ব্যাখ্যা করেছেন। স্বাভাবিক ভাবেই তার প্রতি নরম মনোভাব পোষণ করে তৃণমূল কংগ্রেস যে পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করুন না কেন, তাতে লাভের লাভ কিছুই হবে না।

অন্যদিকে অনেকে আবার দাবি করছেন, এই নিয়ে জল্পনা কোনো কারণ নেই। শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও অন্যান্যদের মত খুব তাড়াতাড়ি চিঠি পাঠানো হবে। তবে যে পক্ষের পক্ষ থেকে যে কথাই বলা হোক না কেন, শোভন চট্টোপাধ্যায়কে বার্তা দিতেই যে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এরকম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত একাংশ। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সমস্ত দলবদলকারী বিধায়কদের তৃণমূল অবস্থান জানতে চিঠি দিলেও, কবে সেই চিঠি পৌঁছৎ শোভন চট্টোপাধ্যায়ের কাছে, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!