এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > পৌরসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ তৃনমূলের, জেনে নিন!

পৌরসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ তৃনমূলের, জেনে নিন!



পৌরসভা নির্বাচনে সাফল্য পেতে বিজেপি এখন মরিয়া হয়ে উঠেছে। বেশিরভাগ পৌরসভা তৃণমূলের দখলে থাকায় সেই সমস্ত পৌরসভার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। কিন্তু এবার যেন উলটপুরান ঘটল। সূত্রের খবর, এবার বিজেপি কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে রামপুরহাট পৌরসভায় ডেপুটেশন দিল 5 নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল নেতৃত্ব। জানা গেছে, এই ওয়ার্ডেই বাড়ি রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আর নিজের ওয়ার্ডে বিজেপি কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে এখন পৌরসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের দিয়ে চাপে রাখার কৌশল করছেন আশিসবাবু বলে মত একাংশের।

জানা গেছে, মঙ্গলবার তৃণমূল পরিচালিত রামপুরহাট পৌরসভায় 5 নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ওয়ার্ড সভাপতি তাপস গুপ্ত সহ অন্যান্যরা। যেখানে ডেপুটেশন দিয়ে অভিষেকবাবু বলেন, “হাউসিং ফর অল প্রকল্পে তালিকা এলাকার কয়েকজন উপভোক্তার নাম থাকলেও, এখনও তাদের বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। পরিষ্কারের নামে নিয়মিত টাকা তোলা হচ্ছে, কিন্তু ঝোপঝাড়, জঙ্গলে ভরে গেছে। সন্ধ্যা নামলে অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। লাইট লাগানোর জন্য ইলেকট্রিক খুঁটি রয়েছে। কাউন্সিলের নজরদারির অভাবে ওয়ার্ডের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ।”

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এদিকে বিজেপি কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মন্ত্রীর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতৃত্ব পৌরসভায় ডেপুটেশন দিলেও, তা সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর শুভাশিস চৌধুরী। এদিন তিনি বলেন, “বিজেপির দখলে থাকা সমস্ত সুযোগ-সুবিধা থেকে ওয়ার্ডবাসীকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। সবজি হাট পরিস্কারের দায়িত্ব পৌরসভার। বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রেও পৌরসভাকে বারবার বলা হয়েছে।”এদিকে বিজেপি কাউন্সিলর পৌরসভার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও, তা সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে রামপুরহাট পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তৃণমূলের সুকান্ত সরকার বলেন, “ওয়ার্ডের নাগরিক পরিষেবা বিষয়টি দেখা উচিত কাউন্সিলারের। আমরা দুই একদিনের মধ্যে লাইট লাগিয়ে সবকিছু পরিষ্কার করে দেব। অনুমোদিত বাড়িগুলোর নির্মাণ যাতে দ্রুত শুরু হয়, তার দেখার জন্য এসএইকে বলা হয়েছে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, যেখানে সিংহভাগ পৌরসভার পরিষেবা নিয়ে বিজেপির প্রশ্ন তোলা উচিত, সেখানে তৃণমূল কিছুটা সুযোগ পেয়ে মন্ত্রীর ওয়ার্ডে বিজেপি কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে এবার পৌরসভায় ডেপুটেশন দিয়ে বিজেপির ভাবমূর্তি খারাপ করবার জন্য তৎপর হল। এখন বিজেপি কাউন্সিলার তৃণমূলের এই অভিযোগ খণ্ডন করে নির্বাচনের আগে ওয়ার্ডে পরিষেবা দিতে কতটা সচেষ্ট হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!