এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই বড়সড় ধাক্কা উত্তরবঙ্গ বিজেপিতে

আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই বড়সড় ধাক্কা উত্তরবঙ্গ বিজেপিতে



পঞ্চায়েত ভোটের আগে রাজ্যে ফের দলবদল, ভাঙন এবার বিজেপিতে। রায়গঞ্জ ইনস্টিটিউট মঞ্চে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পবিত্র চন্দ্র প্রায় কয়েক হাজার মানুষকে নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন। জানা গেছে এদিন তিনি ১২ দফা উন্নয়নের স্বার্থে দাবিপত্র রেখেছিলেন গেরুয়া শিবিরের নেতৃত্বের কাছে। কিন্তু এবার বিজেপির জেলা সভাপতির সহ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের চিঠি তিনি দিলীপ ঘোষকে পাঠান। জানা গেছে এদিন কংগ্রেসের জেলা কার্যালয় এসে তিনি কংগ্রেস জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্তের কাছে কংগ্রেসে যোগদানের আবেদন জানান। এই বিষয় তিনি জানান,”জেলার উন্নয়নের স্বার্থে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু জেলার কোন উন্নয়নের সঙ্গী হতে পারলাম না। জেলার সাধারণ মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। কিন্তু বিজেপির রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব সেই প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করতে পারেনি। তাই বাধ্য হয়েই কংগ্রেসে ফিরে আসলাম। আশাকরি দলের জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্তের নেতৃত্বে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে শামিল হতে পারবো।” জানা গেছে তিনি অধীর চৌধুরীর কাছেও দলে যোগদানের বিষয় আবেদন জানান। ”কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত আমার ভুল ছিল। দেশের ও দশের উন্নয়ন একমাত্র কংগ্রেসই করতে পারে। তাই কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী হিসাবে কাজ করতে চাই।” পাশাপাশি এমনটাও মন্তব্য করেন তিনি। কংগ্রেসে ফিরে আসায় উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা গেছে যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি তুষারকান্তি গুহ ও ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি নব্যেন্দু ঘোষের মধ্যে। এদিকে কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত উৎসাহের সাথে জানান, ”ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এসেছে। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে পবিত্র কংগ্রেসে ফিরে আসায় সাংগঠনিকভাবে আমরা অনেকটাই শক্তিশালী হলাম। আগামীদিনে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পবিত্রকে আমরা দলে বরণ করে নেব।” এদিন বিজেপি জেলা সভাপতি নির্মল দাম জানান ”পবিত্রবাবু পদত্যাগের বিষয়টি আমার জানা নেই। তিনি যেদিন অন্য দলে যোগ দেবেন, সেদিন এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাবো। আমাদের দলে ব্যক্তি বড় নয়, সংগঠন বড়। তাই ব্যক্তির যাওয়া আসার উপর সংগঠনের কোন প্রভাব পড়ে না।”

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!