এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > বিজেপি শিবিরে ধাক্কা দিচ্ছে তৃণমূল , বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান

বিজেপি শিবিরে ধাক্কা দিচ্ছে তৃণমূল , বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – গত ২১ শে জুলাই এর তৃণমূল দলের শহীদ দিবসের ভার্চুয়াল মধ্য থেকে তৃণমূল দলের সুপ্রিমো ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়া প্রাক্তন তৃণমূলীদের সেইসঙ্গে অন্য দলের নেতা-কর্মী তথা সদস্যদের তৃণমূল দলে যোগদান করার বিশেষ আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁর এই আবেদনের পর থেকেই তৃণমূল দল নিজের দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করতে ও অন্যান্য বিরোধী শিবিরে ভাঙ্গন ধরিয়ে দিয়ে সেই দলের সদস্যদের তৃণমূল ভুক্ত করার খেলায় মত্ত হয়েছে।

সম্প্রতি উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলায় গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি শিবির অনেকটা শক্তিশালী উঠতে পেরেছিল, কিন্তু গত কিছুদিন ধরে একনাগারে বিজেপি থেকে তৃণমূলে দল বদল হওয়ায় বেশ কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছে কোচবিহার জেলা বিজেপি। গতকাল সোমবার কোচবিহার জেলায় ৪ জন গুরুত্বপূর্ণ বিজেপি নেতা কর্মী বিজেপি ছেড়ে যোগ দিলেন তৃণমূলে।

জেলা তৃণমূল পাটি অফিসে কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় এদিন সদ্য বিজেপি ত্যাগ করে তৃণমূলে আসা ৪ জন নেতা নেত্রীর হাতে তৃণমূল দলের পতাকা তুলে দিলেন। বিজেপি থেকে সদ্য তৃণমূল নেতারা হলেন কোচবিহার-২ ব্লকের প্রভাবশালী প্রাক্তন বিজেপি নেতা পরিমল রায়, বিজেপির প্রাক্তন মহিলা জেলা সম্পাদিকা কমলা সরকার, বিজেপির ৩২ নম্বর মন্ডলের প্রাক্তন সহ সভাপতি কুমারজিৎ সরকার ও নেত্রী শোভারানী সাহা। কিছুদিন আগেই বিজেপির যুব মোর্চার প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তারপর এই জন্য নেতা-নেত্রীদের দলবদল।

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসা এই নেতা-নেত্রীদের স্বাগত জানানো হলো তৃণমূল দলে। এ প্রসঙ্গে এদিন কোচবিহার তৃণমূল জেলা সভাপতি পার্থ প্রতিম রায় জানালেন, ” এদিন বিজেপি ছেড়ে চারজন নেতানেত্রী আমাদের দলে এলেন। সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সাতদফায় এ ভাবেই আমরা যোগদান কর্মসূচি চালিয়ে যাব।”

অন্যদিকে কোচবিহার জেলা তৃনমূল সংগঠনের বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে শাসক দলের পক্ষ থেকে। তৃণমূলের জেলা সভাপতির পদের যেমন পরিবর্তন আনা হয়েছে, ঠিক সেই ভাবে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতিও পরিবর্তন করা হয়েছে। সম্প্রতি অভিজিৎ দে ভৌমিক তৃণমূলের যুব সভাপতি পদে মনোনীত। তাঁর যুব সভাপতি পদে আসার পর থেকেই কোচবিহার জেলার বিভিন্নস্থানে বিজেপির যুব মোর্চা থেকে অসংখ্য নেতাকর্মী তৃণমূলে যোগদান করতে ৰোভ করেছেন।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

অল্প কিছুদিন আগেই বিজেপির যুব মোর্চার প্রাক্তন সভাপতি সেই সঙ্গে বিজেপির যুব মোর্চার প্রাক্তন সম্পাদক শৈলেন্দ্র সাহু বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছেন। আজ আবার চারজন নেতা-নেত্রী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করলেন।

প্রসঙ্গত, প্রাক্তন বিজেপি নেতা পরিমল রায় তিনি গতকাল বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন তিনি একটা সময়ে কোচবিহার ২ ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি ছিলেন। এরপর তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন আবার তিনি তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন করলেন। তাঁর ফিরে আসায় ওই এলাকায় তৃণমূল শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে রাজনৈতিক মহলের মতামত।

অন্যদিকে আজ দলবদল করা কমলা সরকার ছিলেন বিজেপির মহিলা মোর্চার প্রাক্তন সভানেত্রী। তিনি বিজেপি ত্যাগ করাতে যথেষ্ট সমস্যায় পড়তে চলেছে বিজেপি, এমনটাই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতামত। এখানেই শেষ নয়, তৃণমূল আরো কিছু বিজেপি নেতাকে তৃণমূল ভুক্ত করাতে সর্বদা সচেষ্ট। প্রায় প্রতিদিনই বিজেপি দলের কোনো না কোনো নেতাকর্মী তৃণমূল দলে যোগদান করছেন। এর ফলে কোচবিহার জেলায় ক্রমশ রক্ত ক্ষরণ ঘটছে বিজেপির। আর লাভবান হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

তবে বিজেপির কোচবিহার জেলা সভানেত্রী মালতী রাভা রায় এ ব্যাপারটিতে তেমন গুরুত্ব দিতে রাজি নন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ” এদিন যাঁরা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে গিয়েছেন তাঁদের মধ্যে অনেকে ব্যক্তিগত কারণে গিয়েছেন। অনেকে আবার তৃণমূলের চাপে ওই দলে যোগ দিয়েছেন। যে কোনও দলে যোগদান করার গণতান্ত্রিক অধিকার সকলের আছে। তবে এতে আমাদের দলে কোনও প্রভাব পড়বে না। “

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!