এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > করোনা ধামাচাপা দিতে তাঁর এলাকাতেই জঙ্গলের মধ্যে ‘আনঅথরাইজড’ শ্মশান? বিস্ফোরক হেভিওয়েট নেতা

করোনা ধামাচাপা দিতে তাঁর এলাকাতেই জঙ্গলের মধ্যে ‘আনঅথরাইজড’ শ্মশান? বিস্ফোরক হেভিওয়েট নেতা



করোনা আবহে কেন্দ্রে রাজনীতি করছে, এই রাজনীতি কোনোভাবেই কাম্য নয় – প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই অভিযোগ তুলেছেন খোদ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। ইতিমধ্যেই প্রধানন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী করোনার প্রকোপে দেশের ধসে পড়া অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন। এর জবাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছিল, এই প্রকল্প ফাঁকা আওয়াজ বলেও দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন শান্তনু ঠাকুর এই নিয়ে অভিযোগ করেন যে, ‘করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ভীত। কারণ রাজ্যে এখন যে কী পরিস্থিতি, তা তিনি নিজেও জানেন না। কত সংখ্যক মানুষ মারা গিয়েছে বা কত সংখ্যক মানুষ কোভিড আক্রান্ত তা নিয়ে সুস্পষ্ট কোনও ধারণা নেই তাঁর সরকারের কাছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি কেন্দ্রকে এই বিষয়টি থেকে দূরে রাখতে চাইছেন।’
কেন্দ্র যদি রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে তাহলে করোনা পরিস্থিতি যে কতটা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, তা উঠে আসবে।’

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তিনি আরও বলেন, ‘এই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভীত যে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে আসল চিত্রটা সামনে চলে আসবে।’ এদিন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ এনে বলেন যে, ‘আপনারা অনেকেই জানেন যে করোনা পরিস্থিতি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য একটি শ্মশান তৈরি করা হয়েছে। এটা পুরোপুরি আনঅথরাইজড একটা শ্মশান। মানুষকে না জানিয়ে জঙ্গলের মধ্যে তা তৈরি করা হয়েছে। মানুষ কিছুই জানে না। আমার লোকসভা কেন্দ্রে এই শ্মশান তৈরি করা হয়েছে। কেন তৈরি করা হল এই শ্মশান?’

তিনি অভিযোগ তোলেন যে, “এর থেকেই পরিষ্কার যে মানুষের মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। আর এই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার সব রকম পদক্ষেপ নিচ্ছে। মানুষের থেকে লুকোতে এই সবই করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।” এছাড়াও তিনি বড়সড় অভিযোগ করে বলেন যে, ‘পরিস্থিতি এমন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছেন। তিনি দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিচ্ছেন।’

বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনুবাবুর আরও অভিযোগ, ‘সব রাজ্য পরিযায়ীদের ফেরাতে পদক্ষেপ নিচ্ছে। কেবল পশ্চিমবঙ্গ ব্যতিক্রম। আমার এলাকারই এখনও প্রায় ১০ হাজার মানুষ এখন আটকে বাইরে। তাদের জন্য় কিছুই করা হচ্ছে না।’ যদিও এই নিয়ে এখনো তৃণমূলের তরফ থেকে কোনো প্ৰতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে তৃণমূল মুখ খুললে, রাজ্য-রাজনীতিতে ফের যে বড়সড় বিস্ফোরণ ঘটবে ও তৃণমূল বিজেপির সংঘাত নতুন করে শুরু হবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

* ছবিটি প্রতীকী

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!