এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > নাগরিকত্ব সংশোধনীর প্রচারে নেই বিজেপি সাংসদ, জোর জল্পনা!

নাগরিকত্ব সংশোধনীর প্রচারে নেই বিজেপি সাংসদ, জোর জল্পনা!



 

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে বিরোধীতায় প্রথম থেকেই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রচার শুরু করেছিল। তবে সেভাবে বিজেপি দল এই আইনের স্বপক্ষে প্রচার করতে পারেনি। কিন্তু তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই আইন বাতিল করার দাবিতে যেভাবে প্রচার করা হয়েছিল, তাতে কিছুটা হলেও কোণঠাসা হয়ে গিয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টি।

তবে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে বিজেপির কাছে এই আইন সম্পর্কে তার সুফল যাতে সাধারণ মানুষের কাছে উপস্থাপিত করা যায়, তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সারা রাজ্য জুড়ে প্রতিটি জেলা বিজেপি নেতৃত্ব এই আইনের পক্ষে প্রচার করতে শুরু করেছে। জেলা বিজেপি সভাপতি থেকে শুরু করে বিজেপি সাংসদরা ইতিমধ্যেই প্রায় প্রতিটি জেলায় এই আইনের পক্ষে প্রচার করছে।

কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক এই আইনের পক্ষে প্রচারে না থাকায় নানা মহলে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। জানা গেছে, শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে ইতিমধ্যেই আইনের সুফল লিফলেটে তুলে ধরে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তবে এদিক থেকে সেই কর্মসূচিতে দেখাই যাচ্ছেনা কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিককে। কেন তিনি দলের এই কর্মসূচিতে নেই!

এদিন এই প্রসঙ্গে নিশীথ প্রামাণিক বলেন, “আমি ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছি। দিনহাটা, মাথাভাঙ্গা সহ একাধিক বিধানসভা এলাকায় প্রচার চালানো হয়েছে। আমাকে দিল্লিতে একটা কার্যক্রমের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলায় ফিরে নাগরিকত্ব সংশোধনী নিয়ে আরও জোরদার প্রচার করা হবে।” তবে বিজেপি সাংসদ যে কথাই বলুন না কেন, বিজেপির একাংশ কিন্তু বলছেন, নিশীথবাবু বেশিরভাগ সময় দিল্লিতেই থাকেন। কাজেই জেলায় দলের কর্মসূচিতে তিনি ঠিকমতো সময় দেন না।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এদিকে এই ব্যাপারে ইতিমধ্যেই বিজেপিকে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো। এদিন এই বিষয়ে কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সভাপতি বিনয় কৃষ্ণ বর্মন বলেন, “বিজেপি সাংসদ হয়তো নাগরিকত্ব আইন সমর্থন করেন না। সেজন্য তিনি মানুষের কাছে যাচ্ছেন না।” অন্যদিকে এই ব্যাপারে কোচবিহার জেলা সিপিএমের সম্পাদক অনন্ত রায় বলেন, “এটা বিজেপির দলীয় বিষয়। আধার কার্ড, রেশন কার্ডের লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। তাদের এমপিরা যেখানে যাচ্ছেন, সেখানেই সাধারণ মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়ছেন। আমাদের জেলার এমপি হয়ত উপলব্ধি করতে পারছেন যে, তিনি যদি এই বিষয় নিয়ে প্রচারে নামেন, তাহলে মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়তে পারেন। সেজন্য তিনি নাগরিকত্ব নিয়ে প্রচারে যাচ্ছেন না।”

আর নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি সাংসদের ময়দানে না নামা নিয়ে বিরোধীদের এই লাগাতার কটাক্ষে এখন কিছুটা হলেও চাপে পড়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টি। তবে সেই চাপ মুক্ত করতে দলীয় সাংসদকে এই আইনের সমর্থনে প্রচারে নামাতে বিজেপি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে! সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!