এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দিলীপের পর বাংলার বুদ্ধিজীবীদের আক্রমণ আর এক বিজেপি সাংসদের, সমালোচনায় মুখর সব মহল!

দিলীপের পর বাংলার বুদ্ধিজীবীদের আক্রমণ আর এক বিজেপি সাংসদের, সমালোচনায় মুখর সব মহল!



 

বঙ্গ রাজনীতিকে কুকথা যেন কমছে না কিছুতেই। যত দিন যাচ্ছে, ততই বিভিন্ন ইস্যুতে শাসক-বিরোধী তরজা যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, ঠিক তেমনই অশালীন আক্রমণের মাত্রাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। প্রায় বিভিন্ন সময়েই বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে উঠে আসেন। আর এবার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ইস্যুতে বিরোধীদের আক্রমণ করতে গিয়ে কার্যত অশালীন আক্রমণ করে বসলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

বস্তুত, এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন লাগু হওয়ার সাথে সাথেই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো তা বাতিলের দাবিতে সরব হয়েছেন। সাম্প্রতিককালে সেই আইন বাতিলের দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় “হাম কাগজ নেহি দেখায়েঙ্গে” শীর্ষক একাধিক ভিডিও এবং মিম হতে শুরু করেছে।

জানা গেছে, এই প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই বাংলার বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীরা। সব্যসাচী চক্রবর্তী থেকে শুরু করে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, রূপম ইসলাম থেকে শুরু করে ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায় প্রায় প্রত্যেকেই এই আইন বাতিলের দাবিতে “কাগজ আমরা দেখাবো না” এই দাবি তুলতে শুরু করেছেন। আর এবার এই ইস্যুতে বাংলার বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবিদের অশালীন ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতে ফেসবুকে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে বিজেপির এই সাংসদ বলেন, “আপনারা লাজলজ্জাহীনের মতো কথা বলছেন। আপনারা ধান্দাবাজ। কোনো প্রোজেক্টের জন্য দৌড়ে যান। বাংলার কয়েকজন শিল্পী আর কলকাতার যারা নিজেদের বুদ্ধিজীবী মনে করছেন, তারা নিজেরা চব্যচোষ্য খাচ্ছেন। আর বলছেন, তারা গোটা বাংলার মানুষের কথা বলছেন। আসলে তারা বাংলার মানুষের কথা জানেন না। নোট বাতিল, আধার কার্ড করাতে গ্রামীণ মানুষের কোনো সমস্যা হয়নি।”

আর বাংলার বুদ্ধিজীবীরা এনআরসির বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় তাদের উদ্দেশ্যে বিজেপি সাংসদরা এভাবে কটূক্তি করায় এখন নানা মহলে তৈরি হয়েছে জল্পনা। এদিন এই বিষয়ে ধৃতিমানবাবু এবং স্বস্তিকাদেবী বলেন, “আমরা এই ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করব না।” তবে এই ব্যাপারে কোনো বিবৃতি দেননি সব্যসাচী চক্রবর্তী এবং রুপম ইসলাম। কিন্তু বিরোধিতা করলেই তাকে কেন সব সময় আক্রমণের মুখে পড়তে হবে! ভারতবর্ষ তো স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।

তাহলে সেখানে কেন সাধারণ মানুষ তাদের মত প্রয়োগ করতে পারবেন না! এদিন এই প্রসঙ্গে সৌমিত্র খাঁ বলেন, “এরা মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। তারা ভন্ড। তাই প্রতিবাদ জানিয়েছি। আমি যে শব্দ ব্যবহার করেছি, তার অন্য মানে করা হচ্ছে।” তবে দিলীপ ঘোষের পর যেভাবে সৌমিত্র খাঁ কটুক্তি করলেন, তাতে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক চরম আকার ধারণ করেছে। এখন গোটা পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!