এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > কোটি টাকা চুরি গেলেও বিজেপি সাংসদের রিপোর্ট মাত্র ৫০ হাজারের – শোরগোল জাতীয় রাজনীতিতে

কোটি টাকা চুরি গেলেও বিজেপি সাংসদের রিপোর্ট মাত্র ৫০ হাজারের – শোরগোল জাতীয় রাজনীতিতে



চুরি গিয়েছে এবং চোরও ধরা পড়েছে| কিন্তু যার বাড়ি থেকে যে যে জিনিস চুরি গিয়েছিল আর চোর যা কিছু চুরি করেছিল তার মধ্যে অসঙ্গতি খুঁজে পাচ্ছে পুলিশ| ব্যাপারটা একটু খোলসা করে বলা যাক| বিজেপি নেতা ও সাংসদ গিরিরাজ সিংয়ের বাড়িতে চুরির অভিযোগ দায়ের করা হয় থানায়| তারপর মঙ্গলবার পাটনা পুলিশ চোরকে গ্রেপ্তার করে| এবার চুরির জিনিস নিয়ে সাংসদ এবং চোরের বয়ানের অমিলে অস্বস্তিতে পড়েছে পুলিশ|

অভিযুক্ত চোরের নাম দীনেশ কুমার। মঙ্গলবার ১.১৪ কোটি নগদ টাকা-সহ তাকে গ্রেপ্তার করে পাটনা পুলিশ| নগদ টাকা ছাড়াও দু’টি সোনার চেন, একজোড়া কানের দুল, একটি সোনার লকেট, তিনটি সোনার আংটি, ১৪টি রুপোর কয়েন ও সাতটি হাতঘড়ি পাওয়া যায় তার কাছ থেকে| চোরের বক্তব্য অনুযায়ী এই সব সম্পত্তিই সে চুরি করেছিল গিরিরাজ সিংয়ের বাড়ি থেকে। কিন্তু গিরিরাজ সিংয়ের সোমবার চুরির যে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তাতে বলা হয়েছিল বাড়ি থেকে “কিছু গয়না” চুরি হয়েছে| এখন চুরির এই সামগ্রী নিয়েই এখন বেশ বিপত্তিতে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত এই অভিযোগই নথিভুক্ত ছিল পুলিশের খাতায়। এমনকী, সাংসদ বা তাঁর পরিবারের কোনও সদস্যও উদ্ধার হওয়া টাকা ও গয়না নিতে থানায় আসেনি। সেই সঙ্গে ফোনটিও সুইচ অফ।

অন্যদিকে এই বিষয়ে দাবি জানাচ্ছেন রাজ্য বিজেপি| তাদের দাবি যেহেতু গিরিরাজ সিং নিজে দাবি জানাননি যে ওই সম্পত্তি গুলো তাঁর সুতরাং ওগুলো ওনার নয়| বিহার সরকারের মন্ত্রী বিজয় কুমার চৌধুরি জানিয়েছেন, এই মামলাটি অবশ্যই তদন্ত করলে টাকার আসল মালিক কে তা জানা যাবে| বিজেপির রাজ্য সভাপতি মঙ্গল পাণ্ডেও বলেছেন, “গিরিরাজ সিং মাত্র ৫০ হাজার টাকা ও কয়েকটি গয়নার কথা বলেছিলেন। চোর যা বলেছে, তা কখনই পুলিশের বিশ্বাস করা উচিত নয়। যদি মালিকই চুরির সামগ্রীর কথা স্বীকার না করে, তাহলে কী করে সেই জিনিসগুলি তার বলা যাবে?” ইতিমধ্যেই আয়কর বিভাগ মামলার তদন্ত শুরু করে দিয়েছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

অন্যদিকে গিরিরাজ সিংয়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রথম থেকেই বিতর্ক রয়েছে। কারণ লোকসভা নির্বাচনের আগে তিনি ঘোষণা করেছিলেন নির্বাচনী প্রচারে তাঁর খরচের পরিমাণ ২৭ লক্ষ টাকা। কিন্তু বিহার সরকারের ২০১৩-র রিপোর্ট অনুযায়ী তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৭৫ লক্ষ টাকা। এর বাইরেও রয়েছে অনেক সম্পত্তি রয়েছে যা হিসাব বহির্ভূত| কিন্তু তাতেও চোরের চুরির অঙ্ক আর সাংসদের অভিযোগ করা চুরির অঙ্কের মধ্যে ফারাক চিন্তায় ফেলে দিয়েছে পুলিশ প্রশাসনকে| সুতরাং গিরিরাজের দিকেই প্রশ্ন উঠছে হিসেব বহির্ভুত আয়ের|

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!