এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়কে খুন করেছে কারা? এবার স্পষ্ট করে নাম জানিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ!

বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়কে খুন করেছে কারা? এবার স্পষ্ট করে নাম জানিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – মাসখানেক আগে উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদ অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে বিজেপির বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের। তাঁর বাড়ি থেকে কিছু দূরে একটি চায়ের দোকানে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁর প্রাণহীন দেহ। তাঁর পকেট থেকে পাওয়া সুইসাইড নোটের উপরে ভিত্তি করে পুলিশ তাঁর মৃত্যুকে আত্মহত্যার তকমা দিলেও, রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব তা মেনে নিতে পারেনি। তাঁর মৃত্যুতে শোরগোল পরে যায় রাজ্য রাজনীতিতে।

সংবাদসূত্র অনুযায়ী, আজ সোমবার দেবেন্দ্রনাথ বাবুর মৃত্যুর পর প্রথম তাঁর বাড়িতে পরিবারের কাছে সমবেদনা জানাতে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আজ একটু বেলার দিকে হেমতাবাদের বিন্দোলে বাড়িতে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন দিলীপ বাবু।

দেবেন্দ্রনাথ বাবুর স্ত্রী চাঁদিমা রায়ের সঙ্গে একান্তে কিছুক্ষন কথা বলেছেন তিনি। তাঁদের এই দুর্দিনে তাঁদের পরিবারের পশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন। দেবেন্দ্রনাথ বাবুর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে রাজ্য সভাপতি বলেছেন, ” তিনি যে কতটা সরল মানুষ ছিলেন, তা বাড়ি দেখলেই বোঝা যায়।” দেবেন্দ্রনাথ বাবুর বাড়িতে প্রায় ১২ মিনিট তিনি অতিবাহিত করেছিলেন।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

দেবেন্দ্রনাথ বাবুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাজ্য সভাপতি উপস্থিত হন দেড় কিলোমিটার দূরের সেই চায়ের দোকানে। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল দেবেন্দ্রনাথ বাবুর মৃতদেহ। এই দোকানটির সামনে মৃত বিধায়কের স্মরণার্থে তাঁর মূর্তি নির্মাণের জন্য ভীত পুজোর আয়োজন করেন রাজ্য সভাপতি। দিলীপ ঘোষ নিজে মন্ত্রপাঠ করে মূর্তির জন্য স্থাপন করেন ভিত্তিপ্রস্তর।

এরপর দিলীপ ঘোষ উপস্থিত হন বিন্দোলের কালীবাড়ি এলাকায় দেবেন্দ্রনাথ রায়ের স্মরণ সভায়। তবে আজকের এই স্মরণসভাটি বিন্দোলের বি.এড. কলেজ প্রাঙ্গনে। পুলিশের অনুমতি না মেলায় এই বি.এড. কলেজে তা করা সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি। এরফলে ক্রূুদ্ধ হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ” বি এড কলেজের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া উচিত।”

প্রসঙ্গত, বি.এড. কলেজে করতে না পাড়ার ফলেই কালীবাড়ি এলাকায় স্মরণসভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উক্ত স্মরণ সভায় রাজ্য সরকার ও রাজ্য পুলিশকে একহাত নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, “দুষ্কৃতী, তৃণমূল আর পুলিশ, এই তিনে মিলে দেবেনদাকে খুন করেছে। পরিকল্পিতভাবে চিরকুটে কয়েকটা নাম লিখে তাঁর পকেটে সুইসাইড নোট ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।আসল দোষীরা ধরা পড়বেই। তখন জেলে পচা আলু আর ডাল খেতে হবে।” দেবেন্দ্রনাথ বাবুর মৃত্যু প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরো জানিয়েছেন, ” এই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়েছিলাম আমরা। কলকাতা হাই কোর্ট তা খারিজ করেছে। সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছি। আশা করি, সিবিআই তদন্ত শুরু হবে।”

উল্লেখযোগ্য যে, দেবেন্দ্রনাথ রায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর যথাযোগ্য তদন্তের জন্য সিবিআই -এর হস্তক্ষপ দাবি করে বেশ কিছুদিন আগে সুপ্রিমকোর্টে যায় রাজ্য বিজেপি। সুপ্রিমকোর্ট কেন্দ্র ও রাজ্যকে এ বিষয়ে নোটিস পাঠিয়েছিল। সেসময়ের রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে জল্পনা ওঠে যে, দেবেন্দ্রনাথ বাবুর মৃত্যুতে হতে চলেছে সিবিআই তদন্ত। আর আজ সিবিআই তদন্ত সম্পর্কে দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্য সিবিআই তদন্তের দিকেই আঙ্গুলি নির্দেশ করছে বলে বেশ কিছু মহলের অনুমান।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!