এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ভারতমাতার পুজোতে বাধা দেওয়ায় এবার তৃণমূলী মন্ত্রীর বাড়িতে ঢুকে পূজার অঙ্গীকার বিজেপি নেতার

ভারতমাতার পুজোতে বাধা দেওয়ায় এবার তৃণমূলী মন্ত্রীর বাড়িতে ঢুকে পূজার অঙ্গীকার বিজেপি নেতার



নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের পক্ষে এবং বিপক্ষে প্রচার করে ইতিমধ্যেই জোর তরজা শুরু করেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি। তবে এই আইন নিয়ে দুই দলের মধ্যে লড়াই সপ্তমে চড়লেও, এবার ভারতমাতার পুজো নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গেল বিজেপির হেভিওয়েট নেতাকে।

বস্তুত, দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করে আসছে, পশ্চিমবাংলাকে পশ্চিম পাকিস্তান করার চেষ্টা করছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। যে ক্ষেত্রে বাংলায় হিন্দুরা অবহেলিত বলেও অভিযোগ করতে দেখা যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টিকে। আর এই পরিস্থিতিতে এবার ভারতমাতার পুজোয় পুলিশ প্রশাসন অনুমতি না দেওয়ায়, তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে পুজো করার হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু।

যা নিঃসন্দেহে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় তুলতে শুরু করেছে। বস্তুত, গত 23 জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনে বিজেপির পক্ষ থেকে ভারতমাতার পুজো করার জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তখন জেলা প্রশাসন তাদের অনুমতি দেয়নি। আর এরপরই প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে ভারতমাতার পুজো করতে উদ্যোগী হয় ভারতীয় জনতা পার্টি। এমনকি ইমেইলের মাধ্যমে তা প্রশাসনকে জানিয়েও দেওয়া হয়।

তবে হাওড়া জেলা প্রশাসন প্রথম থেকেই এই পুজোর ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এমনকি যারা প্রতিমা বানান, তারাও যাতে প্রতিমা না পাঠান, তার জন্যও ফতোয়া জারি করা হয়। আর এতেই রিতীমত ক্ষুব্ধ হয় বিজেপি নেতৃত্ব। জানা যায়, এদিন বিজেপি পুলিশের অনুমতি ছাড়াই ভারতমাতার পুজো করতে গেলে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

যার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশকে আক্রমণ করে বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু বলেন, “ইন্ডিয়ান পুলিশ আর নেই। এখন বাংলাদেশ পুলিশ হয়ে গিয়েছে। ভারত মাতার পুজো হবে ভারতে হবে না, হাওড়াতে হবে না, তবে কি করাচিতে হবে, নাকি চট্টগ্রামে হবে! ভারত মাতার পুজো করতে গেলে পারমিশন লাগে? রাস্তায় বসে নামাজ পড়া সেটার কি পারমিশন থাকে!”

এদিকে এদিন তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রী অরূপ রায়কেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই এই ভারতমাতার পুজো নিয়ে বিজেপিকে কটাক্ষ করেছিলেন তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রী অরূপ রায়। যেখানে তিনি বলেন, “দিল্লীর নির্দেশেই সব ঝামেলা বাধানোর জন্য করা হচ্ছে। থানার সামনে কেন ওদের পুজো করতে হবে! অনুমতি ছাড়া কোনো অনুষ্ঠান করা যায় না।”

আর এদিন অরূপ রায়ের এহেন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে রীতিমত হুঁশিয়ারি দিতে দেখা যায় সায়ন্তন বসুকে। এদিন এই বিজেপি নেতা বলেন, “সাঁকরাইলে অরূপ রায়ের লোকজন ট্রেন পুড়িয়েছে। যদি ভারতমাতার পুজো না হয়, তাহলে অরূপ রায়ের বাড়ি গিয়ে আমি ভারতমাতার পুজো করব।”

আর ভারতমায়ের পুজো নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি তরজা যে পর্যায়ে পৌঁছলো এবং তাকে কেন্দ্র করে যেভাবে তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু, তাতে রাজ্য রাজনীতি নতুন আকার নেবে বলেই মত বিশ্লেষকদের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!