এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রেলে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগ বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে!জোর চাঞ্চল্য রাজ্যে!

রেলে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগ বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে!জোর চাঞ্চল্য রাজ্যে!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – এবার মোটা টাকার বিনিময়ে রেলের নিয়োগপত্র বিলি করার অভিযোগ উঠল দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। যে ঘটনায় গ্রেপ্তার হলেন দিবাকর রায় এবং রাজেশ প্রামানিক নামে দুই ব্যক্তি। জানা গেছে, এই দিবাকর রায়ের বাড়ি উত্তর 24 পরগনার নিউ ব্যারাকপুরের পশ্চিম মাসুন্ডায়। অন্যদিকে রাজেশ প্রামাণিকের বাড়ি উত্তর 24 পরগনার বীজপুর থানার নৃপেন সরকার রোডে। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। পুলিশের একাংশের মতে, দিবাকর রায় এই চক্রান্তের অন্যতম পান্ডা হিসেবে পরিচিত। চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রচুর টাকা তার ব্যাংক একাউন্টে জমা পড়েছে। ইতিমধ্যেই ধৃতদের দুটি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। স্বভাবতই রেলের চাকরি দেওয়ার নাম করে দুই ব্যক্তি এভাবে গ্রেপ্তার হওয়াতে এখন তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, এদিন দিবাকর রায় এবং রাজেশ প্রামানিককে 10 দিনের হেফাজতে নিতে চেয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়। আর সেখানেই ভারপ্রাপ্ত সিজেএম মনিকা চট্টোপাধ্যায় পাঁচদিনের আবেদন মঞ্জুর করেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রেলের গ্রুপ ডি পদে চাকরি দেওয়ার নাম করে সম্প্রতি আউসগ্রাম থানার গুসকরা স্কুল মোড়ের বাসিন্দা সব্যসাচী মন্ডলের কাছ থেকে বেশ কয়েক দফায় 4 লক্ষ 75 হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ফেয়ারলি প্লেসের দপ্তরে গিয়ে তিনি জানতে পারেন যে, নিয়োগপত্রটি জাল। যার পরেই থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা রুজু করা হয়। যে ঘটনার তদন্তে নেমে পূর্ণিমা দে, তার স্বামী গোবিন্দ দে, ভৈরব বন্দ্যোপাধ্যায়, রতন রায় এবং মতিলাল কোনারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এদিকে পুলিশি হেফাজতে থাকা পূর্ণিমাদেবী এবং ভৈরববাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দিবাকর রায় এবং রাজেশ প্রামামানিকের কথা জানতে পারে পুলিশ। আর এর পরেই জানা যায় যে, দিবাকর রায় দমদম কেন্দ্রের উত্তর মন্ডলে বিজেপির সহ-সভাপতি পদে ছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই একজন বিজেপি নেতা রেলে চাকরি দেওয়ার নাম করে এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত হয়ে যাওয়ায় বিজেপি যে অনেকটাই অস্বস্তিতে পড়ল, তা অপেক্ষা রাখে না।

কেন তাদের দলের কর্মী এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হলেন? এতে কি বিজেপি চাপে পড়ল না? এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপির তপশিলি মোর্চার সভাপতি অভিষেক বিশ্বাস বলেন, “দিবাকর রায় যে দলের তপশিলি মোর্চার সহ-সভাপতি পদে ছিলেন, তার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। তবে তিনি আমাদের এলাকার সক্রিয় কর্মী। আমি জানিনা, বিষয়টা ঠিক কী ঘটেছে। তবে তিনি যদি সত্যিই এই কাজের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে আইনত বিচার হোক।” সব মিলিয়ে এবার বিজেপির এক নেতার নাম প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়ায় গেরুয়া শিবির অনেকটাই চাপে পড়ল। এখন ভোটের আগে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপিকে চাপে ফেলার কোনো পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় কিনা, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!