এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ব্যাপম কেলেঙ্কারি নিয়ে ব্যাপক অস্বস্তিতে বিজেপি, প্রাক্তন মন্ত্রী সহ ৯৫ জন চার্জশিটে

ব্যাপম কেলেঙ্কারি নিয়ে ব্যাপক অস্বস্তিতে বিজেপি, প্রাক্তন মন্ত্রী সহ ৯৫ জন চার্জশিটে



এই বছরের শেষের দিকে হতে চলেছে মধ্যপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন আর তার আগেই ব্যাপম কেলেঙ্কারি নিয়ে তীব্র অস্বস্তিতে পরে গেল রাজ্যের শাসকদল বিজেপি। সুরের খবর, মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন কারিগরি শিক্ষামন্ত্রী বিজেপির লক্ষ্মীকান্ত শর্মা, তত্‍কালীন ওএসডি ওপি শুক্লা সহ ৯৫ জনের বিরুদ্ধে ব্যাপম কেলেঙ্কারিতে চার্জশিট দাখিল করল সিবিআই। ফলে মধ্যপ্রদেশের বিধানসভা তথা আগামী বছরে হতে চলা লোকসভা নির্বাচনের আগে যথেষ্টই চাপে পরে গেল বিজেপি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত এর আগে এই মামলায় ২০১৪ সালে বেশ কিছু সময় জেলে কাটিয়েছেন বিজেপি নেতা লক্ষ্মীকান্ত শুক্লা এবং ওপি শুক্লা।

কি এই ব্যাপম কেলেঙ্কারি?
১. মধ্যপ্রদেশ প্রফেশনাল এক্সামিনেশন বোর্ড ব্যবসায়িত পরীক্ষা মণ্ডল অর্থাত্‍ ব্যাপম নামে পরিচিত
২. অভিযোগ মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীকান্ত শর্মা মধ্যপ্রদেশ প্রফেশনাল এক্সামিনেশন বোর্ডের মাথায় নিজের পছন্দের লোক পঙ্কজ ত্রিবেদীকে বসিয়েছিলেন
৩. ২০১১ সালে একটি পরীক্ষা নিয়েছিল ব্যাপম
৪. সেখানে পঙ্কজ ত্রিবেদীকে মন্ত্রী লক্ষ্মীকান্ত শর্মা নিজের পছন্দের প্রার্থীদের নাম পাঠান, অভিযোগ এই ‘পছন্দের প্রার্থী’ হয়ে ওঠার জন্য মোটা টাকা পকেটস্থ করেন মন্ত্রী সাহেব
৫. এরপর লক্ষ্মীকান্ত শর্মা ও ওপি শুক্লা তাঁদের ‘পছন্দের প্রার্থীদের’ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করত
৬. সেই তথ্য দেওয়া হত ব্যাপমের প্রিন্সিপাল সিস্টেম অ্যানালিস্ট নীতীন মহিন্দ্রাকে
৭. রেজাল্ট বের হওয়ার আগে, মহিন্দ্রা অন্য একটি ডেটাবেস তৈরি করতেন
৮. তাতে সুবিধাপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের নাম থাকত, অর্থাত্‍ যাদের নম্বর ভিন্ন উপায়ে বাড়ানো হত, তাদের জন্য এই ডেটাবেস তৈরি করা হত
৯. অভিযোগ, নীতীন মহিন্দ্রা সুবিধাপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের নম্বর ততটাই বাড়াতেন, যতটা বাড়ালে তারা নির্দিষ্ট তালিকায় আসতে পারেন
১০. এই কাজের পর আসল রেজাল্ট ডেটাবেস থেকে মুছে দেওয়া হত, অভিযোগ, ফলে ভালো পরীক্ষা দিয়েও মন্ত্রীর ‘পকেট ভারী’ করতে না পারায় মেধা তালিকায় স্থান হত না বহু প্রতিভাবান ছাত্রছাত্রীর, অন্যদিকে মেধা না থাকলেও শুধুমাত্র টাকার জোরে তালিকায় ঢুকে পড়তেন অনেকেই, সমগ্র প্রক্রিয়ায় কোটি-কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!