এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > পয়সা ও পুলিশ দিয়ে বিজেপি কর্মী কেনার বিস্ফোরক অভিযোগের নথি এল প্রকাশ্যে

পয়সা ও পুলিশ দিয়ে বিজেপি কর্মী কেনার বিস্ফোরক অভিযোগের নথি এল প্রকাশ্যে



পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই পুরুলিয়া বঙ্গ-রাজনীতির ঘটনাবহুল স্রোতের একদম শীর্ষে রয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যজুড়ে ঘাসফুল শিবিরের একাধিপত্য থাকলেও, যে কয়েকটি জেলায় বিরোধী শক্তি একটু মাথা তুলে দাঁড়াতে পেরেছে তার মধ্যে পুরুলিয়া অন্যতম। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে এই জেলায় সমানতালে পাল্লা দিয়ে গেছে গেরুয়া শিবির। সবথেকে বড়কথা তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এই জেলার সাংগঠনিক দায়িত্ত্বে আছেন দলের অঘোষিত দুনম্বর নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফলে শোরগোল একটু বেশিই হচ্ছে। এরমধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আবার দাবি জানিয়েছেন তিনি পুরুলিয়াতে গিয়েই বিরোধীশূন্য করে দেবেন, যা নিয়ে জল্পনা চরমে উঠেছে।

কিছুদিন আগেই বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক (সাংগঠনিক) সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে বিজেপির পার্টি অফিস ঘিরে ধরে বোমা-গুলি বৃষ্টির মাধ্যমে তাণ্ডব চালায় দুস্কৃতিতরা বলে অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে তারপরের দিনই বিজেপি করার অপরাধে হুমকি চিঠি দিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয় স্থানীয় ১৮ বছরের যুবক ত্রিলোচন মাহাতোকে। আর এইসবের পরিপ্রেক্ষিতে পুরুলিয়া বিজেপি জেলা সভাপতি বিদ্যাসাগর চক্রবর্তী আজ পুরুলিয়ার পুলিশ সুপারকে এক ডেপুটেশন জমা দেন, যাতে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিদ্যাসাগরবাবুর অভিযোগ –

১. ত্রিলোচন মাহাতোর খুনিকে যথা শীঘ্র সম্ভব গ্রেপ্তার করতে হবে।
২. বিভিন্ন থানা থেকে বিজেপির নেতা-কর্মীদের ডেকে পাঠানো হচ্ছে এবং তাঁদের উপর চাপ সৃষ্টি করে ও তাঁদের টাকার বিনিময়ে তৃণমূলে যোগদান করতে বলা হচ্ছে।
৩. বিজেপি নেতা-কর্মীদের পুলিশ হুমকি দিচ্ছে যদি তৃণমূলে যোগদান না করেন তাহলে এনডিপিএস সহ অন্যান্য কঠিন ধারায় মামলার জন্য তৈরী থাকুন।
৪. মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে বিজেপি নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
৫. বিজেপির তরফ থেকে কোনো এফআইআর গ্রহণ করা হচ্ছে না, উল্টে তাঁদের নামেই মিথ্যা মামলা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!