এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > কী ব্যবস্থা নেবেন দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, কি কি শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কী ব্যবস্থা নেবেন দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, কি কি শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে



প্রবল তৃণমূল বিরোধী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন বিজেপির বর্তমান রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু হঠাৎই সেই দীলিপ বাবুর একটি মন্তব্যকে ঘিরে গতকাল শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। প্রসঙ্গত, গতকাল এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর জন্মদিন। আমি ওনার সুস্থতা এবং সফল জীবন কামনা করি। বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হলে আগামী দিনে উনিই শীর্ষস্থানে রয়েছেন।”

আর দীলিপ বাবুর এহেন মন্তব্যের তীব্র অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রের বিজেপি নেতারা। কেননা যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে এই বাংলায় তাদের মূল লড়াই, সেই তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাওয়া বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কথায় গেরুয়া শিবিরের অন্দরের তীব্র চাপানউতর শুরু হয়েছে। তাহলে কি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আদৌ কোনো পদক্ষেপ নেবে দল?

একাংশের মতে, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ তথা রাজ্যের একাংশ বিজেপি নেতা এমনকি দিলীপ ঘোষও যে 42 টি লোকসভা আসনের মধ্যে 22 টি আসন নিজেদের দখলে রাখার কথা বলেছিলেন। আর এবার সেই দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের বিরুদ্ধে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব আদৌ কি কোনো ব্যবস্থা নেবে?

 

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

দলীয় সূত্রের খবর, এই নিয়ে ক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা কর্মীরা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের কাছে নালিশ জানিয়ে একটি চিঠিও পাঠিয়েছেন আর তা সর্বভারতীয় সভাপতির হাতেও চলে গেছে আর এই নিয়ে যে কোনো সময় নাকি কোনো কড়া সিদ্ধান্ত নিতে পারেন মোদী- শাহ।

আর এই নিয়েই কর্মীদের অন্দরে জল্পনা ছড়িয়েছে যে কি সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন শীর্ষ নেতৃত্ব? দিলীপ ঘোষের এহেন মন্তব্যের জন্য তাঁকে দলের রাজ্য সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিতে হতে পারে।  কিছুদিনের জন্য দীলিপবাবুর মন্তব্যে তাঁকে সাসপেন্ডও করা হতে পারে। এমনকি খুব বেশি হলে তাঁকে দল থেকে একেবারে বহিষ্কারও করে দিতে পারে বিজেপি।

আর এমনটা হলে খুব একটা আশ্চর্য হবেন না দলের নেতা কর্মীরা। কেননা তাদের দাবি যে দলের মুখ্যমন্ত্রী, একের পর এক বিজেপি কর্মীকে মিথ্যা কেসে ফাঁসাচ্ছে, পুলিশ দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে, মড়ে যেতে হচ্ছে , অত্যাচারিত হতে হচ্ছে বিজেপি দলটি করার জন্য, শুধু তাই নয় কোনো সভা সমাবেশ করতে দিচ্ছে না, সোজা কেটে গণতন্ত্রের হত্যা করছেন ,পাশাপাশি দলের শীর্ষ নেত্রীয়ের নামেও অপপ্রচার চালানো ও অপমানকর মন্তব্য করা ও সব কাজে বিরোধিতা করা যে দলের কাজ, যে নেত্রীর নির্দেশে এই কাজ সেই দলের শীর্ষ নেত্রী সম্পর্কে এই কথা কি করে বলতে পারেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ? ফলে তাঁরা নিশ্চিত যে এই ভাবে চলবে না। এর বিরুদ্ধে বড়সড় কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

আর সেই সমস্ত কিছু হলে আগামী দিনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি কে হবে আর কার হাত ধরেই বা এই রাজ্যের লোকসভা নির্বাচনের বৈতরণী পার করবে গেরুয়া শিবির তা নিয়ে একটা আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তবে কিবা লেখা আছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ভাগ্যে! তার জন্য তাকিয়ে থাকতেই হবে বিজেপির শীর্ষনেতাদের ঘোষনার দিকেই।

তবে ২৪ ঘন্টা কাটে না কাটাই যদিও দিলীপবাবু জানিয়েছেন তিনি এটা শুধুমাত্র কটাক্ষ করেছেন এমন কোনো আকাঙ্খা নেই তাঁর। ফলে এই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের শাস্তির জল্পনা শুধুমাত্র কর্মীদের কাছে জল্পনাও থেকে যেতে পারে বলে দাবি দিলীপবাবুর অনুগামী সমেত কর্মীদের একাংশের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!