এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > নোয়াপাড়ায় বিজেপির দাবি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের চোরাস্রোতেই উল্টে যাবে পাশা

নোয়াপাড়ায় বিজেপির দাবি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের চোরাস্রোতেই উল্টে যাবে পাশা



আসন্ন নোয়াপাড়া বিধানসভা উপনির্বাচনে হতে চলেছে চতুর্মূখী লড়াই। আর বিরোধী ভোট এইভাবে ভাগ হওয়ায় জেতার ব্যাপারে পাল্লা সবথেকে বেশি ভারী শাসকদলের। শাসকদলের প্রার্থী সুনীল সিংয়ের প্রচারের বহর দেখলেই সেকথা সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে। গত বিধানসভায় জোট করে বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী মধুসূদন ঘোষ হারিয়ে দিয়েছিলেন শাসকদলের হেভিওয়েট প্রার্থী মঞ্জু বসুকে। সেই মধুসূদনবাবুর মৃত্যুতেই এই উপনির্বাচন, অন্যদিকে শাসকদলের টিকিট পাননি মঞ্জুদেবী। তাঁকে প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে দেয় বিজেপি আর তারপরেই সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বেঁকে বসেন। যা নিয়ে একপ্রস্থ নাটক হয়ে যায়, যা নাএকটাই ব্যাকফুটে ফেলে দিয়েছিল বিজেপিকে।

কিন্তু সেই শূন্য থেকেই শুরু করে প্রচারে শাসকদলকে ভালোই টক্কর দিচ্ছে গেরুয়া শিবির। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিমত, কোনো নির্বাচনেই বিজেপি শিবিরের এত ফেস্টুন, ব্যানার কোনোদিন দেখা যায় নি, আর তা বোঝাও যেত ভোটবাক্স খুললে। কিন্তু এবারে যেন কংগ্রেস বা বামফ্রন্টকে ফেলে প্রধান বিরোধী হওয়ার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে বিজেপি। কিন্তু শুধু প্রচারে এগোলেই হবে, ভোটবাক্সের হিসেবে কি বলছে? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বিজেপি নেতার কথায়, নোয়াপাড়া জুড়ে চোরাগোপ্তা গেরুয়া স্রোত বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে দুই সবুজ আর লাল দলের। সিপিএম, কংগ্রেস এবং তৃণমূলের অনেকেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, বিভিন্ন কারণে তারা প্রকাশ্যে আসছে না। এলেই তো মঞ্জুদির (প্রাক্তন বিধায়ক মঞ্জু বসু) হাল হবে! কিন্তু আমাদের অনেক গোপন বৈঠকেও অন্যান্য দলের কর্মীরা অংশ নিচ্ছেন, যার প্রভাব আগামী নির্বাচনে প্রবলভাবে প্রভাব ফেলবে। শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের চোরাস্রোতই বদলে এই উপনির্বাচনের সমস্ত হিসাব-নিকাশ। বাস্তবে কি হবে বোঝা যাবে ১ তারিখ ইভিএম খুললে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!