এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > এবার বিজেপির সভায় উপস্থিত হতে চলেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী! নয়া নীতি নিয়ে তৈরি জল্পনা!

এবার বিজেপির সভায় উপস্থিত হতে চলেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী! নয়া নীতি নিয়ে তৈরি জল্পনা!



বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বারবারই সঙ্গতি ও সমন্বয়ের অভাবের অভিযোগ করে এসেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তবে সম্প্রতি মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে শিবসেনার দীর্ঘদিনের জোট ভেঙে যাওয়ার পরে এনডিএর ভাঙ্গনকে হাতিয়ার করতে দেখা যায় বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের। এবার তাই এনডিএর একতাকে সকলের সামনে তুলে ধরতে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে রণকৌশলের বদল করতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি বলে খবর।

সূত্রের খবর, বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে অতিসত্বর দিল্লিতে বিশাল বড় রালি করবে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর সেই রালিতে গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি উপস্থিত থাকবেন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের অন্যতম নেতা তথা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। স্বাভাবিকভাবেই এই খবর এখন জোর গুঞ্জন তৈরি করেছে রাজনৈতিক মহলের অন্দরে। বস্তুত, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সমীক্ষা অনুযায়ী দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে আম আদমি পার্টির তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

কিন্তু দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হওয়াটা বিজেপির কাছে যে অত্যন্ত জরুরি, তা বুঝতে বাকি নেই দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গের নেতাদের। আর সেই কারণেই এবার নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে নামতে চায় গেরুয়া শিবির। বিজেপি সূত্রের খবর, আগামী 8 ফেব্রুয়ারি দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে জয় পাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি বিশাল সভা করতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর সেই সভাতে তারকা প্রচারক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা প্রমুখ নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

কিন্তু অনুষ্ঠানসূচিতে সাময়িক বদল ঘটে এই নেতাদের পাশাপাশি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকেও উপস্থিত করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। ভোটের প্রচারের জন্য ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় দলীয় কর্মীদের প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে। অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী আগামী 1 ফেব্রুয়ারি থেকেই দিল্লি জুড়ে সভা করার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে শুরু করে দিয়েছে গেরুয়া নেতৃত্বরা। ছোট, ছোট সভাগুলির পাশাপাশি বড় এবং মাঝারি সভাগুলির জন্য যথাযোগ্য পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে জেলা এবং দিল্লি রাজ্যের নেতাদেরকে।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

আনুমানিক প্রত্যেকটি সভাতেই 10 থেকে 15 হাজার লোকের ভিড় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিজেপি নেতৃত্বদের তরফ থেকে। কিন্তু বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, রীতিমতো তৃণমূল স্তরের বিজেপি কর্মীদের আহ্বানে এবং বুথ ভিত্তিক সভা করার পরেই নীতীশ কুমারের মত নেতাকে নিয়ে এসে দলের একতাকে প্রদর্শিত করতে চায় শীর্ষ বিজেপি নেতৃত্ব। এতে করে নির্বাচক মন্ডলীর মধ্যে বিজেপির প্রতি বিশেষ আস্থা জন্মাবে বলেই মত একাংশের।

এখন দেখার বিষয়, অন্যান্য রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনগুলির প্রচার তালিকা থেকে আলাদা এই অভিনব প্রচারের মাধ্যমে, প্রায় হাত থেকে বেরিয়ে যাওয়া দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলকে পাল্টে দিতে পারে কিনা ভারতীয় জনতা পার্টি! রাজনৈতিক মহল মনে করছে, প্রকৃতই যদি নীতীশ কুমারের মত নেতাকে প্রচারে নামাতে পারে বিজেপি, তাহলে নির্বাচনের ফলে তার যথেষ্ট প্রভাব পড়বে। আর জেপি নাড্ডার সভাপতিত্বে যদি দিল্লি বিধানসভা উপহার পায় বিজেপি, তাহলে বিরোধীদের মনোবল অনেকটাই ভাঙবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

আপনার মতামত জানান -

ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!