এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > গেরুয়া ঝড়ে নিজেদের দুর্গ রক্ষা করতে পারলেন না রাজ্যের একঝাঁক মন্ত্রী, জানুন বিস্তারিত

গেরুয়া ঝড়ে নিজেদের দুর্গ রক্ষা করতে পারলেন না রাজ্যের একঝাঁক মন্ত্রী, জানুন বিস্তারিত



এবারের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের 42 টি লোকসভা আসনের মধ্যে 42 টি আসনই দখল করার স্লোগান দিলেও বাস্তবে তার সেই স্লোগানকে পরিপূর্ণ রুপ দিতে পারেননি নেতা-নেত্রীরা।গত 2014 সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল বাংলা থেকে 34 টা আসন পেলেও এবার তাদের 22 টি আসন পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।

অপরদিকে গতবার বিজেপি এই রাজ্য থেকে দুটি আসন পেলেও এবার তাদের দখলে এসেছে 18 টি আসন। আর এই ফলাফল প্রকাশের পরই কিছুটা হলেও উজ্জীবিত হতে দেখা গেছে গেরুয়া শিবিরকে। কেননা লোকসভা ভিত্তিক ফলাফল হিসাব করলে রাজ্যের প্রায় সিংহভাগ বিধানসভাতেই এগিয়ে রয়েছে তারা। যা 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিকে অনেকটাই উজ্জীবিত করল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

শুধু তাই নয়, রাজ্যের এমন কতগুলো বিধানসভা রয়েছে যেখান থেকে রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীরা নিজেদের গড়েও হেরে গিয়েছেন। যেমন, রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থীকে লিড দিতে পারেননি।অন্যদিকে রাজ্যের নারী শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজাও নিজের শ্যামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির কাছে হেরে গিয়েছেন। একই অবস্থা দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুরও। হেভিওয়েট মন্ত্রী হলেও তিনি নিজের বিধানসভা কেন্দ্র বিধাননগরের পাশাপাশি নিজের ওয়ার্ড শ্রীভূমিতেও দলীয় প্রার্থীর পক্ষে লিড করাতে পারেননি।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে রাজারহাট গোপালপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুও নিজের বিধানসভা কেন্দ্র হেরে গিয়েছেন। আর রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রীরা নিজেদের গড়ে হেরে যাওয়ায় কিছুটা হলেও উজ্জীবিত হয়েছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া হয়েছে রাজ্যের শাসক দলের নেতা-নেত্রীদের কপালে।

কেননা 2021 সালেই বিধানসভা নির্বাচন। আর সেখানে এই সমস্ত হেভিওয়েট মন্ত্রীদের পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে। ফলে লোকসভা ভিত্তিক ফলাফলে সেই সমস্ত রাজ্যের শাসকদলের হেভিওয়েট মন্ত্রীরা হেরে যাওয়ায় ভবিষ্যতে বিধানসভায় কি হবে তা ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছে না তৃণমূল। বিজেপির অবশ্য দাবি, এ তো সবে শুরু হয়েছে। দু-তিন মাস যেতে যেতেই তৃণমূল দলটা আর থাকবে কিনা সে ব্যাপারে প্রশ্ন আছে।

অপরদিকে তৃণমূলের দাবি, নির্বাচনে জয়-পরাজয় আছে। মানুষের জনাদেশকে মাথায় নিয়ে এবার আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব। তবে কি হবে তা ভবিষ্যতই বলবে। কিন্তু যেভাবে লোকসভা নির্বাচনে বিভিন্ন বিধানসভায় বিজেপির এগিয়ে থাকার ঘটনা সামনে এসেছে, তা বড়ই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে রাজ্যের শাসক দলের সদর দপ্তর তোপসিয়ার তৃণমূল ভবনের ম্যানেজারদের কপালে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!