এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > মোদীর একচালেই বদলে গেল দাবার ছক? এবার গোটা বিশ্বকে করোনা ভ্যাক্সিন যোগাবে ভারত? আপ্লুত WHO!

মোদীর একচালেই বদলে গেল দাবার ছক? এবার গোটা বিশ্বকে করোনা ভ্যাক্সিন যোগাবে ভারত? আপ্লুত WHO!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – কিছুদিন আগেই একটি সাক্ষাৎকারে বিল গেটস ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ক্ষেত্রে ভারতের ভূমিকাকেই সবার থেকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে মহামারী মানুষের কাছে সবথেকে বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে এসেছে। আর সেই জন্যই ভারতের ভূমিকার দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যেই ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটের সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশন ভ্যাকসিন তৈরির কাজে হাত মিলিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সম্প্রতি করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গোটা বিশ্বের পাশে থাকার দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর-জেনারেল। সেই সঙ্গে টুইট করে ভারতে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে তাঁর মানসিকতার জন্য ধন্যবাদ জানাতে দেখা গেছে WHO প্রধানকে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভারতে নিজস্ব তৈরি নিয়ে হায়দরাবাদের সংস্থা বায়োলজিক্যাল, সেরাম ইনস্টিটিউট , জাইদাস ক্যাডিলা, জেনোভা বায়োফার্মাসিউটিক্যালস এবং ভারত বায়োটেকের সঙ্গে কথা বলেছিল কেন্দ্র সরকার। এছাড়া রাশিয়া নাকি ইতিমধ্যেই ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে ফেলেছে এবং সরকারিভাবে সেই ভ্যাকসিন টেস্ট-এর প্রক্রিয়াও শুরু হবে বলে জানা গেছিলো। সেই সঙ্গে জানা গিয়েছিল সেই ভ্যাকসিন নাকি ভারতসহ পাঁচটি দেশে পরীক্ষামূলক ভাবে প্রয়োগ করা হবে বলেও জানা যায়।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভরসা ছিল অক্সফোর্ডের তৈরি আরও একটি ভ্যাকসিনের ওপর। যার পরীক্ষামূলক প্রয়োগে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভালো সাড়া মেলে। এরপরই ভারতে এই টীকা তৈরির লাইসেন্স পায় সেরাম ইনস্টিটিউট। এরপর প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষাও হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। সেই সঙ্গে শুরু হয় ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ । এই সময় প্রথমে ভালো খবর পাওয়া গেলেও পরবর্তীকালে জানা যায় অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনটি প্রয়োগকারী একজনের শারীরিক অসুস্থতার জন্য ভ্যাকসিন তৈরি কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এবং তারপরই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে কিছুদিন আগে আবারও সেই ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বস্তুত, করোনা পরিস্থিতির প্রথম থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গোটা বিশ্বকে আপন করে নেওয়ার কথাই বলে এসেছেন। দেশের চরম সংকটজনক অবস্থাতেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে ওষুধ, পিপিই কিট দিয়ে সাহায্য করতেও দেখা গেছে ভারতকর। আমেরিকা, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়ার মতো ১৫০টি দেশে গিয়েছে ভারতে তৈরি ওষুধ। সেই প্রসঙ্গেই রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় সেসব তথ্যই তুলে ধরতে দেখা গেছে নরেন্দ্র মোদিকে। সেই সঙ্গে তিনি এটাও জানিয়ে দিয়েছেন যে ভারতের ভ্যাকসিন তৈরির যে পরিকাঠামো তা গোটা বিশ্বকে সরবরাহ করার জন্য যথেষ্ট। আসলে ভারতই বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক দেশ। স্বাভাবিকভাবেই ভ্যাকসিন আবিষ্কার হলে এদেশেই সবচেয়ে বেশি ভ্যাকসিন তৈরি হবে। আর শনিবার রাষ্ট্রসংঘের সভায় এই বার্তাই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধান মন্ত্রী। যার পর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিশ্বব্যাপী সংহতির লক্ষ্যে মোদির এই অঙ্গিকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!