এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > পৌষমেলার মাঠ ঘিরতে হাইকোর্টের নির্দেশ কিভাবে কাজে লাগাবে বিশ্বভারতী? জানুন বিস্তারিত

পৌষমেলার মাঠ ঘিরতে হাইকোর্টের নির্দেশ কিভাবে কাজে লাগাবে বিশ্বভারতী? জানুন বিস্তারিত



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- সময়টা ছিল রবিবার, ঘড়িতে প্রায় বেলা এগারোটা। বিশ্বভারতীর অফিসে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ এবং বিশ্বভারতীর আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কমিটির চার সদস্য বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়, বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ওয়াই জে দস্তুর ও রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত। শুধু তাই নয়, বৈঠকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা, জেলা পুলিশ সুপার শ্যাম সিং, বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, ভারপ্রাপ্ত কর্মসচিব আশোক মাহাত-সহ একাধিক আধিকারিক।

প্রায় দেড় ঘন্টা চলা এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় পৌষমেলার মাঠ ফেন্সিং দিয়ে ঘিরে দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে দুই থেকে আড়াই ফুটের দেওয়াল তোলার পর লোহার ফেন্সিং দেওয়া হবে। রবিবার বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ এবং জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর কমিটি এই সিদ্ধান্তই নিয়েছে বলে জানা গেছে। সেই সঙ্গে জেলা পুলিশ নিরাপত্তার বিষয়টি দেখছে বলেও জানান হয়। আপাতত ফেন্সিং তৈরির কাজ কিছুটা এগোনোর পরই কমিটির সদস্যরা আবার শান্তিনিকেতনে আসবেন এবং আশ্রমিক, ছাত্রছাত্রী, স্থানীয় বাসিন্দা-সহ অন্যান্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন বলেও জানান হয়।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

রবিবার এই বৈঠকের পর কমিটির তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে পৌষমেলা মাঠে ফেন্সিং দেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী আজ সকাল থেকেই কাজ শুরু হওয়ার কথা। সেইসঙ্গে শান্তিকেতনের ঐতিহ্য মেনে প্রাথমিকভাবে দুই থেকে আড়াই ফুটের একটি ইটের দেওয়াল তোলা হবে এবং তার উপরে ৫ থেকে ৭ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত লোহার ফেন্সিং দেওয়া হতে পারে বলেও জানা যায়। তবে ইটের দেওয়ালের মাঝে ফাঁক রাখা হবে। সেই ফাঁকা অংশে লোহার ফেন্সিং বসানো হবে। এছাড়া মাঠে ঢোকার মোট ৮টি গেট থাকবে বলে জানান হয়েছে।

জানা গেছে, মেলার মাঠে এই ফেন্সিং সম্পূর্ণ করতে প্রায় চার সপ্তাহ সময় লাগবে। সেইসঙ্গে আনুমানিক ৬০ লক্ষ টাকার বেশি খরচ হবে বলেও মনে করা হচ্ছিল। তবে বৈঠকের পর এই খরচের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেই অনুমান করা হয়েছে। এদিকে আগামী দু’সপ্তাহ পর কমিটির সদস্যরা আবার শান্তিনিকেতনে আসতে পারেন বলেও জানা গেছে। সেই সময় কমিটি আলোচনার মাধ্যমে মেলার মাঠ সাধারণ মানুষ কীভাবে এবং কখন ব্যবহার করতে পারবেন, তা ঠিক করা হবে। শুধু তাই নয়, মেলার মাঠ এবং সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা থেকে শুরু করে পুলিশের তরফে ৩৯টি সিসিটিভি লাগানো এবং সেই সিসিটিভিগুলি দিয়ে ২৪ ঘন্টা নজরদারি চালানো হচ্ছে। বলেও জানা গেছে জেলা প্রশাসনের তরফে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!