এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > কংগ্রেস > বিরোধ মিটছে যুযুধান ২ শীর্ষ নেতার? সাংবিধানিক সঙ্কট মেটার ইঙ্গিতে স্বস্তি ফিরছে শাসকশিবিরে?

বিরোধ মিটছে যুযুধান ২ শীর্ষ নেতার? সাংবিধানিক সঙ্কট মেটার ইঙ্গিতে স্বস্তি ফিরছে শাসকশিবিরে?



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – রাজস্থানের রাজনীতির ‘নাট্যগীতি পাঁচালিকা’য় এবার পড়তে চলেছে যবনিকা? রাজস্থানের রাজনৈতিক অশান্তি কি এবার পেতে চলেছে কাঙ্খিত শান্তি? রাহুল গান্ধীর সঙ্গে রাজস্থানের বিদ্রোহী যুবনেতা সচিন পাইলটের বাক্যালাপের পর এমনটাই মনে করছে রাজনীতিমহল। ইতিপূর্বে কংগ্রেস থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে নিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, সচিন পাইলটও যদি অনুরূপ কর্মটি করেন তবে কংগ্রেসের বিরাট ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।

এ বিষয়টি রাহুল গান্ধীর অজ্ঞাত নয়। তাই সিন্ধিয়ার সময়ে যে রাহুল গান্ধী মৌনব্রত ধারণ করেছিলেন পাইলটের সময়ে তিনিই বলেছিলেন যে, পাইলট চিরকাল তাঁর অন্তরঙ্গ ছিলেন। পাইলট সম্পর্কে রাহুল গান্ধীর এই সুবচনের পরেও কিন্তু পাইলটকে অপসারিত করা হয়েছিল রাজস্থানের উপমুখ্যমন্ত্রী ও সেইসঙ্গে রাজস্থান কংগ্রেসের প্রধানের পদ থেকে।

এর কারণ হিসেবে বলা যায়, রাহুল গান্ধীর দরবারে কিছু বিশেষ দাবি নিয়ে ইতিপূর্বে উপস্থিত হয়েছিলেন সচিন পাইলট। যেই দাবিগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল রাজস্থানের পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচন আগামী ২০২৩ সালের পরিবর্তে আগামী ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত করা হোক। দ্বিতীয়ত, এই নির্বাচনে সচিন পাইলটকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে একবছর আগে থেকেই অর্থাৎ, ২০২১ সাল থেকেই ঘোষণা করে দেওয়া হোক। তৃতীয়ত, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের ডানা ছাঁটতে তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ট বলে পরিচিত অবিনাশ পান্ডেকে রাজস্থান কংগ্রেসের জেনারেল সেক্রেটারি পদ থেকে অপসারণ করা হোক। রাহুল গান্ধী সেসময় পাইলটের এই দাবিগুলি মেনে নেননি। আর তাঁদের এই বৈঠকে সনিয়া গান্ধী উপস্থিত ছিলেন সে ব্যাপার কিছু জানা যায়নি।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিকে রাজ্যপালের কাছে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের বহু আবেদন নিবেদনের পর আগামী ১৪ ই আগস্ট বসবে রাজস্থান বিধানসভার অধিবেশন। আর সেখানেই আস্থাভোটের মুখোমুখি হবে অশোক গেহলট সরকার। এই অধিবেশনের আগে দলের বিদ্রোহী দলনেতা সচিন পাইলটের অনুগামী কংগ্রেস বিধায়কদের দলে ফিরিয়ে আনতে বিশেষভাবে তৎপর গেহলট। এ প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, কংগ্রেস হাইকমান্ড যদি এই বিধায়কদের ক্ষমা করে দেন তবে তাঁদের দলে ফেরাতে তাঁর কোন আপত্তি থাকতে পারে না । কিন্তু সচিন পাইলটের বিরুদ্ধে কিন্তু তিনি প্রথম থেকেই অসন্তুষ্ট ছিলেন। বিজেপির সঙ্গে চালাকি করে সচিন পাইলট দলে বিভাজন সৃষ্টি করেছে , এরকম অভিযোগ তিনি পাইলটের বিরুদ্ধে অনেকবার করেছিলেন।

অন্যদিকে এই আবহে গতকাল রবিবার জয়সলমীরের রিসোর্টে আয়োজিত কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বেশ কিছু কংগ্রেস বিধায়ক দাবি তুলেছেন যে, বিদ্রোহী যুব নেতা সচিন পাইলট ও তাঁর অনুগামী ১৯ জন বিধায়ককে কোনমতেই যেন কংগ্রেসে না ফেরানো হয়। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় জেনারেল সেক্রেটারি অবিনাশ পান্ডে বিধায়কদের এই দাবীটিকে সমর্থন করে গেহলটের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তবে যে গেহলট পাইলট ও পাইলট অনুগামীদের কংগ্রেসে ফিরিয়ে আনার জন্য ইতিপূর্বে বিশেষ বার্তা রেখেছিলেন। তাঁরা সত্যি সত্যিই যদি কংগ্রেসে প্রত্যাবর্তন করেন তবে গেহলট পরবর্তী পদক্ষেপ কি নিতে চলেছেন সেদিকেই বিশেষ নজর রাজনীতি মহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!