এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > কংগ্রেস > বিপর্যয়ের পর এবার পদত্যাগের দাবি উঠল প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির

বিপর্যয়ের পর এবার পদত্যাগের দাবি উঠল প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বাম ও কংগ্রেস দলের একেবারে ভরাডুবি ঘটেছে বলা যায়। তিন দলের জোট করেও রাজ্য বিধানসভা থেকে একেবারে ধুয়েমুছে সাফ বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। বাংলার মসনদে দীর্ঘ সময় ধরে ছিল যে কংগ্রেস দল, ক্ষমতা হারাবার পর দীর্ঘ সময় যারা বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করেছিল, এবার সেই কংগ্রেস একেবারে ধুয়েমুছে সাফ। দলের এই সার্বিক পরাজয়ের পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর পদত্যাগের দাবি উঠতে শুরু করেছে।

দেখা যাচ্ছে, কংগ্রেসের গড় বলে পরিচিত রাজ্যের একাধিক জেলায় কংগ্রেস একেবারে ধরাশায়ী হয়ে পড়েছে। একে সবুজ ঝড়, তার উপরে বিজেপির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সমস্ত কিছুতেই পিছু হটতে হয়েছে কংগ্রেসকে। মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুরের মত কংগ্রেসের গড় গুলিতে একেবারে ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গেছে কংগ্রেস। তৃণমূল বা বিজেপির দখলে চলে গেছে এলাকাগুলি। এমনকি সংখ্যালঘু ভোটও পেয়েছে তৃণমূল। এই অবস্থায় এবার দাবি উঠতে শুরু করেছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদত্যাগের।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

রাজ্য কংগ্রেসের ভেতর থেকে আওয়াজ উঠতে শুরু করেছে যে, দলের এই ভরাডুবির দায় নিতে হবে দলের রাজ্য সভাপতিকে। তাঁকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিতে হবে। রাজ্য থেকে শুরু করে জাতীয় স্তরের একাধিক কংগ্রেস নেতাও এমন দাবী করতে শুরু করেছেন। গত লোকসভা নির্বাচনের পর সিপিএমের সঙ্গে জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

দুই দলের জোট করে রাজ্য রাজনীতিতে একটা বড়সর ঝড় তুলতে চেয়েছিলেন তিনি। তৃণমূল ও বিজেপি উভয় দলকেই বড় আঘাত করার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। এরপর জোটে যোগদান করে আব্বাস সিদ্দিকীর দল। কিন্তু এত কিছু করেও শেষ পর্যন্ত তৃণমূল, বিজেপির কাছে একেবারে ধরাশায়ী হয়ে পড়ল কংগ্রেস দল। রাজ্য বিধানসভায় প্রতিনিধি পাঠাতে পারছে না এই দল। বাংলার রাজনীতিতে যা ইতিপূর্বে কখনো ঘটেনি।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!