এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিপদ ডেকে আনতে পারে পলাতক করোনা আক্রান্ত, ত্রস্ত চিকিৎসামহল

বিপদ ডেকে আনতে পারে পলাতক করোনা আক্রান্ত, ত্রস্ত চিকিৎসামহল



করোনা ভাইরাসের বাড়বাড়ন্ত কোন অবস্থাতেই ঠেকানো যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু করোনা ভাইরাসকে বিশ্বব্যাপী সংক্রমণ বা প্যানডেমিক বলে ঘোষণা করেছে সারা বিশ্বে। করোনা ভাইরাসের আতংকে ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে লকডাউন। করোনা ভাইরাস ইতিমধ্যে থাবা বসিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। কাতারে কাতারে মৃত্যু হচ্ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের প্রভাবে। বলা যায়, এই মুহূর্তে সারা বিশ্বের কাছে সবথেকে বড় আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস।

ইতিমধ্যে ভারতে এসে পৌঁছেছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। আর এবার করোনা ভাইরাসকে কেন্দ্র করে পুলিশি ধরপাকড় শুরু হল। সূত্রের খবর, বেঙ্গালুরুতে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত এক গুগল কর্মীর স্ত্রী আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় পালিয়ে ভারতের আগ্রাতে আসেন। তথ্য গোপন করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি মধুচন্দ্রিমায় গিয়েছিলেন বেঙ্গালুরুর ওই নবদম্পতি বিদেশে। সেখান থেকে ফিরে আসলে ওই গুগল কর্মীর রক্তে পাওয়া যায় করোনা ভাইরাস।

তাঁর স্ত্রীর শরীরেও দেখা যায় করোনা ভাইরাস বাসা বেঁধেছে। উক্ত দম্পতিকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা শুরু হয়। কিন্তু কড়া বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে আক্রান্ত গুগল কর্মীর স্ত্রী 8 ই মার্চ বেঙ্গালুরু থেকে সোজা চলে আসেন দিল্লিতে। এখানে তাঁর বাপের বাড়ি। দিল্লি বিমানবন্দর থেকে তিনি সোজা পৌঁছান দিল্লি স্টেশন এবং সেখান থেকে ট্রেনে করে তিনি পৌঁছান তাঁর বাড়ি আগ্রাতে। তাঁর অসুস্থতার খবর জানাজানি হওয়ার পর আগ্রা এসএন মেডিকেল কলেজে তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

কিন্তু করোনা ভাইরাস এর মতন মারাত্মক জীবাণুকে শরীরে নিয়ে এভাবে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় তথ্য গোপন করে পালিয়ে আসার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে পুলিশ। ভারতবর্ষে এই মুহূর্তে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের শিকার হয়েছেন 107 জন। যাদের মধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। একজন মারা গেছেন কর্নাটকে এবং অন্যজন দিল্লিতে। তবে সূত্রের খবর, দুই মৃত ব্যক্তি কোন না কোনভাবে বাইরের দেশের সঙ্গে সংযোগ ঘটিয়েছিলেন।

দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে জানা গেছে, বাংলাতেও এই মুহূর্তে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে আইসোলেশনে রয়েছেন 6 জন। অন্যদিকে, গত শুক্রবার পর্যন্ত 19 জনের দেহে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মিলেছিল। 24 ঘন্টা যেতে না যেতেই সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে 31। এদিকে কেরালা থেকে মোট 22 জন করোনা আক্রান্ত বলে জানা গেছে। তবে আশার খবর একটাই, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েও সুস্থ হয়ে উঠেছেন এমন রোগীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। এই কথা মাথায় রেখে স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে একটাই দাওয়াই দিচ্ছেন।

আর তা হল ব্যক্তি পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা। চিকিৎসক বিজ্ঞানীদের দাবি, জনবহুল দেশে শুধুমাত্র সরকারী নির্দেশনামার ওপর ভিত্তি করে করোনা ভাইরাসের আক্রমণ ঠেকানো সম্ভব নয়। তাই আতঙ্কিত না হয়ে পরিচ্ছন্নতার ওপরে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন তাঁরা। সবার আগে নিজের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেকে নিতে হবে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নির্দেশ দিচ্ছে অনবরত। আপাতত এই ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। সারা বিশ্বের মানুষের এখন একটাই আকুল জিজ্ঞাসা- কবে বিদেয় হবে করোনা ভাইরাস ?

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!