এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > বিমল গুরুং তৃণমূলের দিকে ঝুঁকতেই তাঁর ‘স্বমূর্তি ফাঁস’ করে দিলেন বিধানসভায় জেতানো হেভিওয়েট

বিমল গুরুং তৃণমূলের দিকে ঝুঁকতেই তাঁর ‘স্বমূর্তি ফাঁস’ করে দিলেন বিধানসভায় জেতানো হেভিওয়েট



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – গত পঞ্চমীর সন্ধ্যায় বিমল গুরুংকে দেখা যায় কলকাতার রাজপথে। তাঁকে সেদিন বলতে শোনা যায় যে, মোদি, অমিত শাহ কথা রাখেননি বলে, তিনি বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করছেন। সেই সঙ্গে হাত ধরেছেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করতেও দেখা যায় তাঁকে। প্রায় তিন বছর ধরে ফেরার বিমল গুরুং পাহাড়ে ফিরে আসার কথাও জানালেন। এরপর থেকেই চাপা উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পাহাড়ের রাজনীতিতে। সম্প্রতি তৃণমূলের হাত ধরায় বিমল গুরুংকে নিয়ে কটাক্ষ করলেন জিএনএলএফের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নীরজ জিম্বা।

প্রসঙ্গত, জিএনএলএফের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নীরজ জিম্বা বিজেপি প্রার্থী হিসেবে দার্জিলিং বিধানসভা আসনে জয়লাভ করেছিলেন। যে নির্বাচনে তাঁকে সমর্থন জানিয়েছিলেন গুরুং পন্থীরা। সম্প্রতি তিনি বিমল গুরুং সম্পর্কে মন্তব্য করলেন, ‘‘বিমল তো একসময় বাঘের মতো হাবভাব করতেন। এখন দেখছি, তিনি নীলবর্ণ শেয়াল। দূরদর্শিতা বলে কিছু নেই। পাহাড়বাসীর কাছে কোনও কথাই রাখেননি।’’এ প্রসঙ্গে তিনি আরও জানালেন যে, বিজেপির সঙ্গে নানা ভাবে সম্পর্ক রেখে সম্প্রতি পাহাড়ে ফিরতে রাজ্যের শাসকদলের হাত ধরেছেন তিনি। তাঁকে পাহাড়ের মানুষ আর কোনভাবেই বিশ্বাস করবেন না বলে তাঁর মতামত।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত, জিএনএলএফের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নীরজ জিম্বার সঙ্গে সুবাস ঘিসিং, মন ঘিসিং এর পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তবে তাঁর সঙ্গে কোনোকালেই তেমন একটা ভালো সম্পর্ক ছিল বিমল গুরুং এর। গত ২০১৭ সালে আন্দোলনের সময় তাঁর গাড়িতে ভাঙচুর হয়েছিল। এর পরবর্তীকালে জিএনএলএফ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির হাত ধরে। এরপর অমর সিংহ রাই লোকসভায় তৃণমূল প্রার্থী হলে দার্জিলিংয়ের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন নীরজ জিম্বা। পরে উপনির্বাচনে বিনয় তামাং এর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করেন তিনি।

তাঁকে জেতাতে গুরুং পন্থীরা যথেষ্ট সাহায্য করলেও। নির্বাচনের পরও বিমল গুরুং এর সম্পর্ক জোড়া লাগে নি। সম্প্রতি বিমল গুরুং পাহাড়ে ফিরে আসবে শুনেই, তাঁর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে জিএনএলএফ। জিএনএলএফ দলের সভাপতি মন ঘিসিং জানালেন,” রাজনীতিতে মানুষই সব। তাঁদের কথা শুনেই কাজ করছি।’’ অন্যদিকে দার্জিলিং, কালিম্পং এর দুটি মিছিল করে বিনয় তামাং পন্থীরা বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে একাধিক বক্তব্য রাখলেন। তাঁর বিরুদ্ধে নীরজ জিম্বা জানালেন যে, তাঁকে আর কেউ বিশ্বাস করে না। পাঁচ বছর ধরে জিটিএ চালাতে পারেননি তিনি। তিনবার আন্দোলন করেছেন, দুবার ইস্তফা দিয়েছেন। পাহাড়ের সম্পত্তি নষ্ট, জীবনহানির কারণ হয়ে পাহাড় থেকে পালিয়ে গিয়েছেন তিনি। এই নেতার কোন বিশ্বাস যোগ্যতা আছে বলে তিনি মনে করেন না।

প্রসঙ্গত তৃণমূলের হাত ধরার পর থেকেই বিমল গুরুং প্রসঙ্গে জিএনএলএফ এর একাধিক নেতা, কর্মী, সমর্থক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অনেকে মনে করছেন, বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে বিবাদের ফলে বেশ কিছু কর্মীর দল ত্যাগের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মধ্যেই গতকাল এলাকায় লোপচু, পেশক বেশ কিছু মানুষ জিএনএলএফ দলে যোগদান করেছেন।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!