এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিক্ষোভ-ধর্নায় যুক্ত হলে হবে না চাকরি! রাজ্যের নতুন ফরমানে হিটলারি ভাবনার বহিঃপ্রকাশ! সরব বিরোধীরা!

বিক্ষোভ-ধর্নায় যুক্ত হলে হবে না চাকরি! রাজ্যের নতুন ফরমানে হিটলারি ভাবনার বহিঃপ্রকাশ! সরব বিরোধীরা!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট –গণতন্ত্রে শান্তি-শৃঙ্খলা যেমন রয়েছে, ঠিক তেমনই রয়েছে কথা বলার অধিকার। এক্ষেত্রে শাসক পক্ষের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্যই রয়েছেন বিরোধীরা। পাশাপাশি গণতন্ত্রকে যাতে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা যায়, তার জন্য বিরোধীদের মত শোনার দায়িত্ব রয়েছে শাসকপক্ষের। কিন্তু সেই ক্ষমতা যদি খর্ব হতে শুরু করে, তাহলে সেই জায়গায় যে গণতন্ত্র নেই, তা বলাই যায়। আর এবার নতুন এক নির্দেশিকা জারি করে রীতিমত বিপাকে পড়ে গেল বিহারের নীতীশ কুমারের সরকার।

যেখানে বিহার পুলিশের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, এবার থেকে কোনোরকম ধরনা, বিক্ষোভে অংশ নিলে বিক্ষোভকারী বা আন্দোলনকারীরা কেউ সরকারি চাকরি বা সরকারি কন্ট্রাক্ট পাবেন না। স্বাভাবিক ভাবেই এই ধরনের নির্দেশিকা এখন যে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিরোধীরা। যেখানে রাজ্য সরকারকে হিটলার বা মুসোলিনির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সম্প্রতি কৃষি আইনের প্রতিবাদে গোটা দেশজুড়ে কৃষকদের আন্দোলনে নামতে দেখা গেছে। আর এরই মাঝে বিহারের পুলিশের ডিজিপি এসকে সিঙ্ঘালের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। যেখানে জানানো হয়, এবার থেকে কোনো বিক্ষোভ বা অবরোধের সঙ্গে কেউ জড়িত হন এবং তাতে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়লে, তাহলে বিক্ষোভকারী চরিত্রের শংসাপত্রের সেই ঘটনার কথা উল্লেখ করে দেবে পুলিশ। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানা গেছে। স্বাভাবিক ভাবেই কোনো একটি নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুললে এভাবে কেন কণ্ঠ রোধ করা হবে, এখন তা নিয়ে নানা মহলে শুরু হয়েছে প্রশ্ন।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

ইতিমধ্যেই গোটা বিষয় নিয়ে বিহার সরকারের বিরুদ্ধে সরব হতে শুরু করেছে বিরোধীরা। সূত্রের খবর, এই বিষয়ে টুইট করে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন বিহার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব। এদিন তিনি লেখেন, “মুসোলিনি এবং হিটলারকেও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন নীতিশ কুমার। বিহার সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, ধরনা দেখিয়ে আপনি নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে আপনি চাকরিও পাবেন না অর্থাৎ চাকরিও দেবে না, আবার বিক্ষোভ প্রদর্শন করতেও দেবে না। বেচারা 40 সিটের মুখ্যমন্ত্রী কত ভয় পাবেন!”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সত্যিই গোটা ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। গণতন্ত্রে কথা বলার অধিকার সকলের আছে। সেদিক থেকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেই যেভাবে চাকরি হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হল, তাতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে। তাই এই পরিস্থিতিতে বিহার সরকারের বিড়ম্বনা বাড়িয়ে এই ধরনের বিতর্কিত নির্দেশিকার জন্য এবার সরব হতে শুরু করল বিরোধীরা। যা বিহারের নীতীশ কুমারের সরকারকে কার্যত চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সব মিলিয়ে বিতর্ককে দমানোর জন্য এবার এই বিতর্কিত নির্দেশিকা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!