এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > রাজ্যের সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকমহলের চরম আর্থিক বঞ্চণার প্রতিবাদে বড়সড় আন্দোলনে নামতে চলেছেন সরকারী কর্মচারী পরিষদ ও বিজেপি টিচার্স সেল

রাজ্যের সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকমহলের চরম আর্থিক বঞ্চণার প্রতিবাদে বড়সড় আন্দোলনে নামতে চলেছেন সরকারী কর্মচারী পরিষদ ও বিজেপি টিচার্স সেল



এবার রাজ্যের সরকারি কর্মচারী ,শিক্ষক সমাজ , শিক্ষাকর্মী ,বিশ্ববিদ্যালয় চরম আর্থিক বঞ্চণার প্রতিবাদে বড়সড় আন্দোলনে নামতে চলেছেন সরকারী কর্মচারী পরিষদ ও বিজেপি টিচার্স সেল। রাজ্যের সরকারি কর্মীরা তাদের বকেয়া ডি এ এখনো পাননি।সেই নিয়ে আদালতে এখনো মামলা চলছে,অন্যদিকে আর্থিকভাবে বঞ্চনার শিকার রাজ্যের শিক্ষকমহল ও ফলে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে এবার বড়সড় আন্দোলনের পথে হাটতে চলেছেন সরকারী কর্মচারী পরিষদ ও বিজেপি টিচার্স সেল।

জানা যাচ্ছে আজ দুপুরে সরকারী কর্মচারী পরিষদ ও বিজেপি টিচার্স সেল এর যৌথ জরুরী সভা ৬, মুরলীধর সেন লেন – এ অনুষ্ঠিত হয় । এর মূল বিষয়বস্তু ছিল পে কমিশণের মেয়াদ আরো পিছিয়ে দেবার ও এ রাজ্যের সরকারী কর্মচারী ,শিক্ষক সমাজ , শিক্ষাকর্মী ,বিশ্ববিদ্যায় চরম আর্থিক বঞ্চণার প্রতিবাদে আন্দোলন গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা সভা। আর এইসভাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শ্রী দিলীপ ঘোষ।

 

এদিন দিলীপবাবু রাজ্যের সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকমহলের পাশে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারের এহেন আচরণের তীব্র বিরোধিতা করেন। সাথেই তথ্য পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরকারের কাজের নিন্দাও করেন। তিনি এদিন তৃণমূল সরকারের কাছে প্রশ্ন তোলেন যে কেন্দ্রের কাছ থেকে এ রাজ্যের অর্থ পাওয়া এবং রাজস্ব বাড়া সত্ত্বেও কর্মচারী সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বঞ্চণা করা হচ্ছে কেন ?

এদিন এই সভা থেকেই বিজেপি প্রভাবিত রাজ্য সরকারী কর্মচারী , শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সংগঠন ইত্যাদিদের সম্মিলিতভাবে আগামী ফেব্রুয়ারী মাসের মধ্যে বড় আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দেওয়া হয়।
দিলীপবাবু ঘোষণা করেন যে রাজ্য বিজেপি এই আন্দোলনের সামনে থাকবে ।এদিন শুধু দিলীপবাবুই নয় সভায় বক্তব্য রাখেন সরকারি কর্মচারী পরিষদের আহ্বায়ক দেবাশীষ শীল এবং শ্রী দীপল বিশ্বাস মহাশয়।তাঁরা জানান যে খুব শীঘ্রই এই আন্দোলনের প্রস্তুতি গড়ে তোলার হবে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এই বিষয়ে সরকারি কর্মচারী পরিষদের আহ্বায়ক দেবাশীষ শীল এর সাথে প্রিয়বন্ধু মিডিয়ার তরফ থেকে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান যে, এবার বড়সড় আন্দোলনে তাঁরা নামছেন। সাথেই মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে কটাক্ষ করে বলেন যে যারা রাজ্য চালাচ্ছেন সেই কর্মীদের বঞ্চনা করে, যারা দেশের ভবিষ্যৎ তৈরী করছেন তাদের বঞ্চনা করে তিনি ইমামভাতা দিচ্ছেন, ক্লাবকে দুর্গাপুজো করতে কোটি কোটি টাকা দিচ্ছেন। সরকারী ও উপভোক্তা কর্মী মহল, শিক্ষক সমাজ, অবসরপ্রাপ্ত মানুষেরা শিক্ষকমহল যে কি আর্থিক দুর্দশায় আছেন তা তাঁর চোখে পড়ছে না। শুধু উৎসবে মত্ত তিনি। একবার ভেবে দেখেছেন কি যাদের এত অবহেলা করছেন সেই সরকারি কর্মী মহল আর শিক্ষকমহল যদি ২০১৯ এ ভোটের বাক্সে নিজেদের এই না পাওয়ার ক্ষোভটা উগরে দেন তাহলে মুখ্যমন্ত্রী খুব প্রফুল্ল মনে ওই চেয়ারটায় বসতে পারবেন তো? আর ২০২১ সে চেয়ারটাই থাকবে তো তাঁর নামে? কেননা মনে রাখবেন শুধু শিক্ষকমহল বা সরকারি কর্মীরা নয় তাদের পরিবারের ভোট টাও আছে। আর তাদের ক্ষোভটাও কিছু কম নয়।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!