এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > Big Breaking, এবার হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থীকে নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন

Big Breaking, এবার হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থীকে নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – আজ হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁকে নোটিশ পাঠাল নির্বাচন কমিশন। তফসিলি সম্প্রদায়ের মানুষদের নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য রাখার অভিযোগে তাঁকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাঁর বক্তব্যের কারণ ব্যাখ্যা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে।

প্রসঙ্গত, আরামবাগ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী করা হয়েছে সুজাতা মণ্ডল খাঁকে। তিনি হলেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনের নোটিশে জানানো হয়েছে, তাঁর তারকা প্রার্থীর মর্যাদা কিছু দিনের জন্য কেড়ে নিতে পারত কমিশন। কিন্তু তাঁকে তাঁর বক্তব্যের কারণ ব্যাখ্যার সুযোগ দেয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত কিছুদিন আগে রাজ্যের তফসিলি সম্প্রদায়কে ঘিরে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন সুজাতা মণ্ডল খাঁ।

কিছুদিন আগেই তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁ তফসিলি সম্প্রদায়ের মানুষদের উদ্দেশ্য করে জানিয়েছিলেন যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের সবকিছু দিয়েছেন, তাও তাঁরা ভিখারির মত করছেন। তাদের কটাক্ষ করে তিনি বলেছিলেন যে, আসলে এদের যতই দিন, তাদের পেট ভরবে না। তিনি বলেছিলেন যে, কেউ থাকে অভাবে ভিখারি, কেউ স্বভাবে ভিখারি।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত, সুজাতা মণ্ডল খাঁ নিজেও হলেন তফসিলি সম্প্রদায়ের মানুষ। তফসিলি সম্প্রদায়কে ঘিরে তাঁর এই বক্তব্য তীব্র শোরগোল ফেলে দেয় রাজ্য রাজনীতির অন্দরে। তাঁর এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভি। অভিযোগ করা হয়েছে, আদর্শ আচরণ বিধি লংঘন করেছেন সুজাতা মণ্ডল খাঁ। লংঘন করেছেন তিনি ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৫(২) ধারাও।

যে ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি তাঁর মন্তব্যের দ্বারা সমাজে ঘৃণা ও জাতিবিদ্বেষ তৈরি করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জরিমানা বা তিন বছরের হাজতবাস অথবা দুটোই তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হতে পারে। আর এবার, সুজাতা মণ্ডল খাঁকে নোটিশ পাঠিয়ে তাঁর এই বক্তব্যের কারন ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। ২৪ ঘন্টা সময় তাঁকে দেয়া হয়েছে। এবার তিনি কি জবাব দেন? সেদিকেই দৃষ্টি থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!