এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > বিশেষ বার্তা বীরভূমের তৃণমূল সাংসদের

বিশেষ বার্তা বীরভূমের তৃণমূল সাংসদের



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – দুদিন আগে ফেসবুকে একটি বিশেষ বার্তা দিয়েছিলেন বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। এরপর, তাঁর দিল্লি যাবার কথা শোনা যাচ্ছিল। তাঁকে নিয়ে বাড়ছিল দলের অস্বস্তি। এরপর গতকাল রাতে তাঁর সঙ্গে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক বসে। বৈঠকের পর তাঁর ক্ষোভ দূর হয়। এরপর আজ একটি বিশেষ ফেসবুক পোস্ট করলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। এই ফেসবুক পোস্টে তিনি প্রথমেই সাধারণ মানুষকে বিশেষ সম্বোধন করেছেন।

সাধারণ মানুষকে বিশেষভাবে সম্বোধন করে শতাব্দী রায় জানালেন যে, আজ তিনি একটি ফেসবুক পোস্ট করবেন বলেছিলেন। যে লেখার মাধ্যমে তাঁর বক্তব্য জানাবেন তিনি। তাঁকে কয়েকজন প্রশ্ন করেছিলেন যে, কেন তাঁর এলাকার বহু কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকছেন না তিনি? তিনি জানান এলাকার মানুষের পাশে থাকতে কিছু সমস্যা হচ্ছে, কিছু যন্ত্রণাও ছিল তাঁর। তিনি চেষ্টা করেছেন, সব বাধা দূর করে, সব সময় এলাকায় থাকতে। এ বিষয়টি তিনি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানিয়ে ছিলেন।

তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় জানালেন যে, শেষ পর্যন্ত তৃণমূল পরিবারের প্রিয় নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সবিস্তার আলোচনা হয়েছে। তিনি তার সমস্যার কথাগুলি জানিয়েছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সমস্যার কথাগুলি শুনেছেন, তাঁর সঙ্গে অনেকটা আলোচনা করেছেন। তিনি জানালেন এই আলোচনা ইতিবাচক। এর মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করছেন তিনি।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

শতাব্দী রায় জানালেন যে, সামনে রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। যারা শাসকদল তৃণমূলের কর্মী, নেতা, তাঁর মতো তাদেরও কিছু বক্তব্য, ক্ষোভ থাকতে পারে। সেগুলো দলের মধ্যেই মেটাবার নির্দেশ দিলেন তিনি। তিনি জানালেন যে, ভোটে জয়লাভের পর সমস্ত কিছুর পর্যালোচনা করা হবে। এখন সকলকে হাতে হাত মিলিয়ে লড়াই করতে হবে। দলের সকলকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃতীয় তৃণমূল সরকার গঠনের লক্ষ্যে, রাজ্যের মানুষের স্বার্থে কাজ করার আবেদন জানালেন তিনি।

শতাব্দী রায় জানালেন যে, যখন সিঙ্গুর আন্দোলন চলছিল, তখন তিনি তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন। সে সময় তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল না। কঠিন সন্ধিক্ষণ তখন ছিল। দলকে ভালোবেসে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভালবেসে তিনি এসেছিলেন দলে। আজ আবার পশ্চিমবঙ্গে রাজনীতির সন্ধিক্ষণ। এই সময়ে দলের মধ্যে থেকে লড়াই করার কর্তব্য থেকে পিছিয়ে যাবেন না তিনি।
তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানালেন তিনি। যেভাবে তিনি তাঁর সমস্যা শুনেছেন, আলোচনা করেছেন, পরামর্শ দিয়েছেন, তাতে তিনি নিশ্চিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যথেষ্ট দায়িত্বশীল ও পরিণত নতুন প্রজন্মের নেতা।

তাঁর নেতৃত্ব দলকে শক্তিশালী করবে বলে জানালেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি জানালেন যে, তৃণমূল কংগ্রেসের সৈনিক হিসেবে নিজের কর্তব্য পালন করবেন তিনি। তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি জানিয়েছেন যে, আরো নিবিড়ভাবে বীরভূমের মানুষের পাশে থাকতে। তিনি জানিয়েছেন, দলে কারোর যদি কোনো ক্ষোভ থেকে, এতদিন যখন সেসব নিয়ে তাঁরা পথে চলেছেন, এখন ভোটের মুখে প্রতিপক্ষকে সুবিধা করে না দিয়ে রাজ্যের মানুষের স্বার্থে, সমগ্র তৃণমূল পরিবারকে এক হয়ে লড়াই করতে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!