এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিধানসভা নির্বাচনের পরেই কি হতে চলেছে পুরভোটের মারকাটারি লড়াই? কি বলছেন প্রাক্তন কাউন্সিলররা?

বিধানসভা নির্বাচনের পরেই কি হতে চলেছে পুরভোটের মারকাটারি লড়াই? কি বলছেন প্রাক্তন কাউন্সিলররা?



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যেই শোনা যাচ্ছে পুর নির্বাচনের কথা। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, বিধানসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পর নতুন সরকার গঠন হলেই শুরু হবে কলকাতা পুর নির্বাচন। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগেই কলকাতা পৌরসভার নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় নির্বাচন করা যায়নি। আর তাই বিধানসভা নির্বাচনের পরেই কলকাতা পৌরসভার নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে। যথারীতি দলীয় প্রার্থীদের সঙ্গে প্রচারে গিয়ে ওয়ার্ড কাউন্সিলররা নিজেদেরও জনসংযোগ বাড়িয়ে নিচ্ছেন বলে জানা যাচ্ছে।

প্রাক্তন কাউন্সিলর শুধুমাত্র জনসংযোগ বাড়িয়েই নয়, গত পুরসভার নির্বাচনের প্রাপ্ত ভোটের হার এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ধরে রাখতেও মরিয়া। কলকাতা পৌরসভার 5 নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর তরুণ সাহা এদিন জানিয়েছেন, তৃণমূল স্তর থেকে কাউন্সিলরদের জনসংযোগ চালাতে হয়। সারা বছর ঘুরে ঘুরে কাজ করতে হয়। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে আলাদা করে জনসংযোগ করার কোন প্রয়োজন পড়বে না। কারণ জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রাক্তন কাউন্সিলররা মানুষের দরজায় না গেলে সমস্যার কথা জানা যায়না। বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ওয়ার্ডের সমস্ত সমস্যা শুনে নেওয়া হচ্ছে, সেগুলি সমাধানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

101 নম্বর ওয়ার্ডের শাসক দলের সক্রিয় তৃণমূল কাউন্সিলর হলেন বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত। তিনি জানান, লকডাউনে এবং আমফানের সময় যেভাবে ওয়ার্ডে কাজ করা হয়েছে, তাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের আস্থা আছে তাঁর ওপর। তবে বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বাসিন্দাদের অভাব-অভিযোগগুলি মনোযোগ দিয়ে শোনা হচ্ছে। 101 নম্বর ওয়ার্ডের পৌরসভার ভোটে তৃণমূলের প্রার্থী 3600 ভোটে লিড পেয়েছিলেন। এন্টালী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী স্বর্ণকমল সাহা। তাঁরই ছেলে ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সন্দীপন সাহা।  চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন কাউন্সিলর জানিয়েছেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি বরাবর ওয়ার্ডবাসীর সঙ্গে আছেন।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে কর্মীসভা মিছিল-মিটিং সবই হচ্ছে, প্রচারে গিয়ে কারো কোন সমস্যা থাকলে সেগুলো শোনা হচ্ছে। শুধু শাসক দল নয়, বিরোধী জনপ্রতিনিধিরাও নিজেদের জনসংযোগ বাড়িয়ে চলেছেন। বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারে পুরসভার বিরোধী দল বামেদের নেত্রী ছিলেন রত্না রায় মজুমদার। 128 নম্বর ওয়ার্ডের বাম কাউন্সিলর ছিলেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন, এতদিন পুরসভা নির্বাচন না হওয়ায় ওয়ার্ড বাসীকে চূড়ান্ত হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়েছে বিধানসভা প্রচারে গিয়ে 128 নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন তাঁদের কাছে। 98 ওয়ার্ডের বাম কাউন্সিলর হলেন মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী।

তিনিও জানিয়েছেন ভোটের প্রচারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সবার সমস্যার কথা শোনা হচ্ছে। গত পুর নির্বাচনে 23 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন বিজেপির বিজয় ওঝা। গত নির্বাচনে এই ওয়ার্ডে বিজেপির প্রাপ্ত ভোট এবার বিধানসভা নির্বাচনে বাড়বে বলে দাবি করেছেন তিনি। সব মিলিয়ে ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে, বিধানসভা নির্বাচনের পরেই এবার প্রাক্তন কাউন্সিলরদের ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হবে। তবে এখন নজর বিধানসভা নির্বাচনের দিকে। কার হাতে রাজ্যের ক্ষমতা যাবে, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। আপাতত নজর রয়েছে আগামী 2 রা মের দিকে।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!