এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > অমিত শাহর মাধ্যাহ্নভোজন সারা বিভীষণকে নিয়ে এবার দ্বিধাবিভক্ত তৃণমূলের অন্দরেই, জেনে নিন বিস্তারিত!

অমিত শাহর মাধ্যাহ্নভোজন সারা বিভীষণকে নিয়ে এবার দ্বিধাবিভক্ত তৃণমূলের অন্দরেই, জেনে নিন বিস্তারিত!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- ভোটে বাংলা দখল, বিজেপির পাখির চোখ। আর সেই পরিস্থিতিতে বাংলা জুড়ে বিজেপির ভোটের পূর্ব নির্বাচনী প্রচার চলছে পুরোদমে। এমন পরিস্থিতিতে ৩ দিনের বঙ্গ সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর সেখানেই সফরের দ্বিতীয় দিনে বাঁকুড়ার এক আদিবাসী পরিবারে সারেন মধ্যাহ্নভোজ। তবে সেটা নিয়েই আপাতত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি।

বঙ্গ সফরে এসে চতুর্ডিহির বিভীষণ হাঁসদার বাড়িতে অমিত শাহ ভাত, ডাল, পটল ভাজা, আলু পোস্ত সহযোগে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজ সারেন। তবে এত পর্যন্ত সব ঠিক থাকলেও এমন পরিস্থিতিতে বিভীষণ হাঁসদাকে আক্ষেপ করতে শোনা যায়, যে এত বড় ব্যক্তিত্ব এলেন, কিন্তু তাঁর সাথে সমস্যার কথা বলে ওঠা হলনা। আর সম্প্রতি সেটা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে রাজ্য রাজনীতিতে। বিরোধীদের কটাক্ষবান শোনা যাচ্ছে হামেশাই।

যদিও বিভীষণ বলেছিলেন যে, এত বড় ব্যক্তিত্ব তিনদিনের সফরে এলে একাধিক কর্মসূচি পালন করার দায়িত্ব তাঁর উপর থাকবে সে কথা স্বাভাবিক।তাই বস্তুত কর্মব্যস্ততার কারণেই তাঁর কথা বলা হয়নি বলেই মনে করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই ঘটনাকে সামনে এনে তৃণমূল সরকার যে বিজেপিকে কটাক্ষ করবে সেটাই স্বাভাবিক বলে মনে করেছিলেন রাজনৈতিকরা।

তবে যা হয়েছে, তাতে দ্বিধাবিভক্ত হতে দেখা গেছে তৃণমূলের অন্দরকেই। জানা গেছে, দলকে কিছু না জানিয়েই সেই বিভীষণ হাঁসদার বাড়ি গিয়ে বাঁকুড়া জেলা পরিষদের এক তৃণমূল সদস্যা বিতর্কে জড়িয়েছেন। আর তা জানতে পেরেই রুষ্ট হয়েছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। জানা গেছে, শুক্রবার সোনাইদেবী বিভীষণবাবুর বাড়ি গিয়ে তাঁর স্ত্রীকে শাড়ি উপহার দেন এবং তাঁদের পরিবারের সমস্যার কথাও শোনেন তিনি।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এই বিষয়ে বিভীষণবাবুর স্ত্রী মণিকা হাঁসদা জানান, “ওই জেলা পরিষদ সদস্যা বাড়িতে এসে আমাদের শাড়ি উপহার দেন। সংসারের সমস্যার কথা জানতে চান।” অন্যদিক, সোনাইদেবীর কথায়, “আমি শুনেছিলাম, বিভীষণবাবুর পরিবারে কিছু সমস্যা রয়েছে। মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের দলের আদর্শ।” সেই কাজই করেছেন বলেই জানিয়েছেন তিনি।

তবে এটা তিনি দলের কয়েকজন নেতাকে জানিয়েই করেছিলেন বলে জানান তিনি। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় বাঁকুড়া ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সন্দীপ বাউরির কথায়। এদিন তিনি জানান, সোনাইদেবী বিভীষণবাবুর বাড়ি গিয়েছেন সেটা শুনে তিনি অবাক হয়েছেন। আর এর পরই তৃণমূলের অন্দরের ছবি পরিষ্কার হয়ে গেছে।

এবিষয়ে বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা জানান, “আমাদের কিছু না জানিয়েই ওই জেলা পরিষদ সদস্যা সোনাই মুখোপাধ্যায় বিভীষণবাবুর বাড়ি গিয়েছেন। বিষয়টি আমরা ভাল ভাবে নিইনি।” এমনটাও জানান তিনি। সেইসঙ্গে আগামী দিনে যাতে এমন না হয়, সে জন্য ওই নেত্রীকে সতর্ক করা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

তবে, জেলা বিজেপি নেতৃত্ব আগেই অভিযোগ তুলেছিল যে, অমিত শাহের কর্মসূচি শেষ হওয়ার পরেই বিভীষণবাবুকে দলে যোগ দিতে তৃণমূল চাপ দেবে। আর তাই সোনাইদেবী বিভীষণবাবুর বাড়ি যাওয়ায় এ নিয়ে এত জলঘোলা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিজেপির বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্র বলেন “বিভীষণবাবুর বাড়িতে অমিতজি যাওয়ার পরেই ওই তৃণমূল নেত্রী তাঁদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েছেন।” তাই তৃণমূল যা করে, আসলে সবই ভোটের স্বার্থে এমনটাই অভিযোগ করেছেন তিনি।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!