এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > বীরভূমে গিয়ে তৃণমূলের চোখে চোখে রেখে হুঙ্কার দিলীপের! আজ বিশেষ বার্তা দিতে ময়দানে অনুব্রত!

বীরভূমে গিয়ে তৃণমূলের চোখে চোখে রেখে হুঙ্কার দিলীপের! আজ বিশেষ বার্তা দিতে ময়দানে অনুব্রত!



আপনাদের সুবিধার্থে খবরের শেষে বিধানসভা ২০২১ উপলক্ষে আমাদের করা সর্বশেষ সমীক্ষার প্রতিটির লিঙ্ক দেওয়া আছে।

আপনার মতামত জানান -

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – একুশের বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্য রাজনীতিতে তৎপরতা বেড়ে চলেছে রাজনৈতিক দলগুলির। এবং একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের জোরদার প্রস্তুত করছে বিজেপি। তাঁদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এই মুহূর্তে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। আর তাই প্রতিমুহূর্তে গেরুয়া শিবির আক্রমণ করে চলেছে তৃণমূলকে। রাজ্যের প্রতিটি জায়গা থেকে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে চলেছে গেরুয়া শিবির। আর এবার অনুব্রত মণ্ডলের গড়ে দাঁড়িয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবার রীতিমতো হুংকার দিলেন তৃণমূলকে। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন চাপান-উতোর শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি সিউড়ি বীরভূম জেলা স্কুলের মাঠে একটি জনসভা করে গেরুয়া শিবির এবং এই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই জনসভা থেকেই দিলীপ ঘোষ রীতিমতো কড়া বার্তা দিলেন এদিন তৃণমূলকে। অন্যদিকে পাল্টা অনুব্রতর নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার বীরভূম জেলার ছটি পৌরসভা এলাকায় তৃণমূল করতে চলেছে বড় মিছিল এবং রবিবার ইলামবাজারের কর্মীসভা থেকেই জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল কিছু বার্তা দেওয়ার ইঙ্গিত দেন। যথারীতি দিলীপ এবং অনুব্রতর মধ্যে রাজনৈতিক বৈরীতা যে আরও বাড়ছে, সে কথা স্পষ্ট। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতেই সিউড়ি পৌঁছান মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এলাকার একটি অনুষ্ঠান ভবনেই রাত্রিবাস করেন তিনি।

অন্যদিকে সকাল থেকেই দিলীপ ঘোষ জনসংযোগে নেমে পড়েন। প্রথমেই তিনি সেচ দপ্তরের মাঠে প্রাতঃভ্রমণ করতে করতে সেখানকার স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর শহরের একের পল্লী মোড়ের কাছে চায় পে চর্চায় যোগ দেন তিনি। সেখানেই গত পঞ্চায়েত ভোটের সময় শেখ দিলদার খুনের প্রসঙ্গ তোলেন দিলীপ ঘোষ। আর সেক্ষেত্রে এই ঘটনার পেছনে তৃণমূলের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি রীতিমতন তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন, বীরভূম জেলার মানুষ তৃণমূলকে কোনমতেই একুশের বিধানসভা নির্বাচনে জিততে দেবেনা। প্রসঙ্গত, বিজেপির রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ এর নেতৃত্বে প্রায় 300 দলীয় কর্মী হাটজনবাজার  ক্যানাল থেকে বাইক র‍্যালি করেন।

সার্কিট হাউজ পর্যন্ত সেই র‍্যালি আসে। তবে করোনা আবহে এত জনসমাগম দেখে রীতিমতো চোখ কপালে উঠেছে বিশেষজ্ঞদের। জানা গেছে, যারা বিজেপির জনসভায় উপস্থিত ছিলেন কিংবা মোটর বাইক র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন, তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগ নেতাকর্মীর মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। অন্যদিকে বেলা বারোটা থেকে জনসভা শুরু হলে দেখা যায়, বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় হাজার দশেক বিজেপি কর্মী সভায় উপস্থিত রয়েছেন। এবং এই সভাতে সংখ্যালঘু মানুষের ব্যাপক আগমন ঘটেছে বলে দাবি করে বিজেপি। অন্যদিকে নিজের বক্তৃতায় সংখ্যালঘুদের প্রতি বারবার দিলীপ ঘোষ বার্তা দেন। বলেন- বিজেপি ক্ষমতায় আসলে সব থেকে বেশি সুরক্ষিত হবেন এ রাজ্যের সংখ্যালঘু মানুষেরা।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের সবথেকে বেশি নিপীড়িত অত্যাচারিত হতে হচ্ছে বর্তমানে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়। এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ দাবি করেছেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকাবেনা। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপি সভাপতি এদিন মঞ্চে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার নেতা শেখ সামাদের মেয়েকে মঞ্চে ডেকে তাঁকে সংবর্ধনা জানানো হয়। প্রসঙ্গত, পাড়ুই অঞ্চলের দাপুটে নেতা শেখ সামাদ দীর্ঘদিন ধরেই জেলবন্দি। বিজেপির অভিযোগ- তৃণমূল এবং পুলিশের মিথ্যা মামলার অভিযোগে জেলবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন শেখ সামাদ। অন্যদিকে এদিন সভামঞ্চে মার গ্রামের বিজেপি নেতা রেজাউল ইসলামকেও সংবর্ধনা জানানো হয়।

প্রসঙ্গত রবিবার বিজেপি নেতা রেজাউল ইসলামের বাড়ি ভাঙচুর এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে বিজেপি এদিন দাবি করে, বীরভূম জেলার বিভিন্ন প্রান্তের সংখ্যালঘু মানুষেরা বিজেপি শিবিরে যোগ দিয়েছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি এদিনে সভা থেকে রাজ্যের শাসক দল এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে আগাগোড়াই আক্রমণাত্মক মনোভাব দেখিয়েছেন। দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ যাকে ইচ্ছে ভোট দেবেন। রাজ্য বিজেপি সভাপতি জানান, ভোট কেন্দ্রের আশেপাশে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশকে থাকতে দেওয়া হবেনা। একই সঙ্গে তিনি বিজেপি কর্মীদের জন্য সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন- যদি একুশের বিধানসভা নির্বাচনে পরিবর্তন না আসে তাহলে কিন্তু বিজেপি কর্মীদের জন্য সামনে আসছে সমূহ বিপদ এরাজ্যে তারা থাকতে পারবেন না বলে দাবি করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। সবমিলিয়ে বীরভূম জেলায় দাঁড়িয়ে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে রণদামামা বাজিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্যের প্রধান দুই রাজনৈতিক শিবির তৃণমূল এবং বিজেপি এই মুহূর্তে জোরদার টক্কর দিচ্ছে একে অপরকে। তবে একুশের বিধানসভা নির্বাচন জিততে মরিয়া দুই দলই। আর সেক্ষেত্রে ভোট বাক্সে কোন দল প্রভাব বেশি ফেলতে পারবে সে দিকে কিন্তু নজর থাকবে সবার।

একনজরে দেখে নিন আমাদের সর্বশেষ বিধানসভা ২০২১ ওপিনিয়ন পোল –

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – দ্বিতীয় পর্ব – 

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – প্রথম পর্ব – 

# মালদহ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# উত্তর দিনাজপুরে জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# জলপাইগুড়ি ও কালিম্পঙ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# কুচবিহার জেলার ওপিনিয়ন পোল –

আপনার মতামত জানান -
আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!