এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > “ভাইপোর ঝুলি শূন্য থাকবে। মানুষ বদল চাইছে” – জোর দাবি মোদির

“ভাইপোর ঝুলি শূন্য থাকবে। মানুষ বদল চাইছে” – জোর দাবি মোদির



এবারের লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বাড়তি নজর দিয়ে বারে বারেই বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। আর বাংলায় এসেই বিভিন্ন নির্বাচনী সভা থেকে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো এবং তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় বিধতে দেখা যাচ্ছে বিজেপির হেভিওয়েট নেতা নেত্রীদের।

সূত্রের খবর, বুধবার ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে এসে ফের আরও একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। ভোটের ফল বেরোলে অভিষেকের দপ্তরে তালা পড়ে যাবে। কান খুলে শুনে রাখ দিদি, তোমার গালি এবং গুলির অত্যাচার মানুষ আর সহ্য করবে না। এটা গণতন্ত্র। এবার মানুষ বদল চাইছে। ভাইপোর ঝুলি এবার শূন্য হয়ে যাবে।”

অন্যদিকে এদিন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জোর করে অবৈধভাবে রাস্তা দখল করে পার্টি অফিস বানানোরও অভিযোগ তোলেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “দিদি আপনার দল তোলাবাজি করে এত টাকা কামিয়েছে। তাহলে ভাইপোর অফিস বানানোর জন্য সামান্য নিয়মটুকু মানতে পারলেন না! সেটাও রাস্তা দখল করে করতে হল।” এদিকে তিনি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে নিজের বিধায়ক কার্যালয় করলেও পরে সেই বাড়ি সরকারি রাস্তার খানিকটা অংশ দখল করে তৈরি হয়েছে জানালে তিনি তার বিধায়ক কার্যালয় ভেঙে দেন। কিন্তু বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের খুশিমতো চলেন বলে তৃণমূল নেত্রীকে আক্রমণ করেন গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

পাশাপাশি রাজ্যের বর্তমান শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে নারী পাচারকারী, তোলাবাজ ও সিন্ডিকেট দুষ্কৃতী বলেও অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরুদ্ধে পাল্টা জবাব দিয়েছে শাসক দলও। এদিন এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের তরফে দলের মহাসচিব তথা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আসলে প্রধানমন্ত্রী নিজের 5 বছরের অপদার্থতা ঢাকার জন্যই বাংলাকে বেছে নিয়ে এহেন কুৎসিত আক্রমণ করছেন। প্রধানমন্ত্রী যে চোরাচালানের কথা বলেন সেগুলো সীমান্তে হয়। আর সীমান্ত পাহারার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের।”

এদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরুদ্ধেও এদিন সুর চড়ান পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সব মিলিয়ে সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচনের আগে শাসক-বিরোধী তরজায় উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!