এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বাংলায় কি রাষ্ট্রপতি শাসন? কী ভাবছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব

বাংলায় কি রাষ্ট্রপতি শাসন? কী ভাবছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব



রাজ্যে এখনই ৩৫৬ ধারা লাগু করার প্রয়োজন নেই। আরো একটু অপেক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। এমনটাই বক্তব্য রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বদের। সিবিআই বনাম কোলকাতা পুলিশের দ্বন্দ্বে তোলপাড় রাজ্যরাজনীতি। চিটফান্ড কান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে কোলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে সিবিআই তলব করাকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে বাংলার রাজনৈতিক ক্ষেত্র।

সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ধর্নায় বসেছেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রেক্ষিতেই এদিন কোলকাতায় এসেছিলেন কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর। এই ইস্যুতে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বদের কী মত সেটা জানতেই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। সেখানেই এখনই রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন লাগু হওয়ার প্রয়োজন নেই বলে জানালেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

দুদিন আগেই কোলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে জেরা করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক আধিকারিকরা। রাজ্যপুলিশ সিবিআই অফিসারদের প্রতি যে ধরণের আচরণ করেছেন তাতে হকচকিয়ে গিয়েছে কেন্দ্রও। যে ইস্যুতে দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ে তদন্ত চলছে সেখানে কোলকাতা পুলিশ কীভাবে বাধা দিতে পারে,এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে একের পর এক প্রশ্ন তোলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা।

এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর ধর্না নিয়েও তোপ দাগেন তাঁরা। এ প্রেক্ষিতে রাজ্যের বিজেপি নেতারাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে ছাড়েন না। রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ সম্প্রতি রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তার ২৪ ঘন্টা পেরোতে না পেরোতেই নিজের মতামতের বিরোধী কথা কেন বললেন তিনি? এ প্রশ্নকে কেন্দ্র করে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে প্রকাশ জাভেড়করকে জানানো হয়েছে,এই মুহূর্তে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচিত সরকারকে অগ্রাহ্য করা হলে আদলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতই শক্ত করা হবে।

গোটা ইস্যুটার রাজ্যনৈতিক ফায়দা লাভের সুযোগ করে দেওয়া হবে তৃণমূল কংগ্রেসকে। এতে সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বিজেপির। তাই এভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থানের পথ প্রশস্ত করার বিপক্ষে সওয়াল তুললেন রাজ্য বিজেপির বেশিরভাগ নেতাই। বিকল্প উপায় হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্ত্রেই তাকে ঘায়েল করার পরামর্শ দিলেন তাঁরা।

উল্লেখ্য,এদিকে সিবিআই অফিসারদের হেনস্তায় লোকসভায় দাঁড়িয়েই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। অন্যদিকে,একই ইস্যুতে বিজেপি বিরোধী শক্তিগুলোকে আরো ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।

চন্দ্রবাবু নাইডু থেকে শুরু করে অখিলেশ যাদব,রাহুল গান্ধী ট্যুইট করে এ ব্যাপারে মমতা বন্দ্যোপায়ের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে নৈতিক সমর্থন জামিয়েছে অন্যান্য আঞ্চলিক দলগুলোও। এই ইস্যুটি আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জাতীয় রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলে সেটা নিয়েই বাড়তি কৌতূহল রয়েছে রাজনৈতিকমহলে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!