এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া > বাংলাতেও কি এবার ‘বিকাশ দুবে এপিসোড’ হতে চলেছে? জল্পনা বাড়ালেন হেভিওয়েট নেতা

বাংলাতেও কি এবার ‘বিকাশ দুবে এপিসোড’ হতে চলেছে? জল্পনা বাড়ালেন হেভিওয়েট নেতা



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট 2021 এর বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই নিজেদের সাংগঠনিক জোর বাড়ানোর ক্ষেত্রে তৎপরতা দেখাচ্ছে রাজ্যের সমস্ত রাজনৈতিক দল। সে ক্ষেত্রে অবশ্য গেরুয়া শিবির বেশ কয়েক ধাপ এগিয়ে রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 2019 এর লোকসভা নির্বাচনে ঝাড়গ্রামসহ জঙ্গলমহলের ওপর থেকে দখল হারায় তৃণমূল শিবির। এবং সেখানে সংগঠনের জোর বাড়িয়ে বিজেপি শিবির ঘাঁটি গাড়ে। এই পরিস্থিতিতে জঙ্গলমহলে আবার সম্প্রতি তৃণমূল শিবির কিছুটা কার্যকর ভূমিকা নেওয়া শুরু করেছিল।

কিন্তু তাদের ভূমিকাকে ব্যর্থ করে গেরুয়া শিবির আবারও তৃণমূল শিবিরে দিল জোর ধাক্কা। সূত্রের খবর, ঝাড়গ্রাম জেলায় এবার 25 জন শিক্ষক বিজেপিতে যোগদান করেছেন। এবং এই যোগদানের পেছনে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এদিন ঝাড়গ্রাম জেলার প্রাথমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে প্রায় 25 জন শিক্ষক গেরুয়া শিবিরে যোগদান করলেন সায়ন্তন বসুর হাত থেকে দলীয় পতাকা গ্রহণ করে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে এই দলীয় যোগদান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সায়ন্তন বসু এদিন তৃণমূলের দুর্নীতির কথা তুলে ধরেন এবং 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে দুর্নীতি যে চিরতরে দূর হবে সে ব্যাপারে আশস্ত করেন তিনি। আর এর সাথেই তিনি বলেন, রাজ্যে এই মুহূর্তে যারা উগ্রপন্থী বা গ্যাংস্টার বলে পরিচিত বিজেপি ক্ষমতায় এলে তাঁদের দশা উত্তরপ্রদেশের বিকাশ দুবের মত হবে। আর সায়ন্তন বসুর এই কথাটি নিয়ে শুরু হয়েছে বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে তুমুল আলোড়ন। উত্তরপ্রদেশে বিকাশ দুবেকে পুলিশি হত্যার ঘটনা নিয়ে এখনো চলছে জাতীয় রাজনীতিতে আলোড়ন।

সেখানে সায়ন্তন বসুর বিকাশ দুবের মতো পরিণতি হবার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পেছনে রাজনৈতিক হিংসা বলবত হওয়ার ছবি দেখছেন অনেকেই। যদিও সায়ন্তন বসুর মন্তব্য নিয়ে এখনো পর্যন্ত রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে কেউ কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে ঝাড়গ্রাম অঞ্চলে এই দলবদল স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল সরকারকে নতুন করে চাপে ফেলল বলে মত বিশেষজ্ঞদের। আপাতত জঙ্গলমহলে সংগঠন জোরদার করে তুলতে তৃণমূল শিবির কি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে, এখন সেদিকেই সজাগ নজর রাজ্যের ওয়াকিবহাল মহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!