এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > “বাংলার গর্ব মমতাতে” সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে অস্বস্তিতে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা, জোর গুঞ্জন!

“বাংলার গর্ব মমতাতে” সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে অস্বস্তিতে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা, জোর গুঞ্জন!



দিদিকে বলো প্রকল্পের পর এবার “বাংলার গর্ব মমতা” কর্মসূচি লঞ্চ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। যেখানে সেই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে পুরাতন তৃণমূল কর্মীদের সম্মান দেওয়া, দলের নানা কর্মসূচি সহ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতার একটি পর্ব রাখা হয়েছে। আর সাংবাদিকদের সাথে এই কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে, জলযোগ পর্ব। কিন্তু নিজেদের ভালোর জন্য তৃণমূল এই কর্মসূচি করলেও, সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়ে যে বিপর্যস্ত হতে হবে দায়িত্বপ্রাপ্ত তৃণমূল নেতাদের, তা অনেকেই আঁচ করতে পারেননি।

সূত্রের খবর, শুক্রবার বীরভূমের সিউড়ির তৃণমূলের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতা সারেন তৃণমূল বিধায়ক অশোক চট্টোপাধ্যায়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন সিউড়ি পৌরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়, ভাইস চেয়ারম্যান বিদ্যাসাগর সাউ, সিউড়ি 1 পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি স্বর্নকমল সিংহ সহ অন্যান্যরা। আর সেখানেই সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের মুখে পড়ে অস্বস্তিতে পড়েন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক এবং চেয়ারম্যান। যেখানে সাংবাদিকরা সিউড়ি পৌরসভা এলাকায় নিকাশি নালা পরিষ্কার না হওয়া, শহরের অনেক অংশ জবরদখল হওয়া নিয়ে তৃণমূল বিধায়ককে প্রশ্ন করেন।

শুধু তাই নয়, করোনা ভাইরাস নিয়ে যে আতঙ্ক সর্বত্র তৈরি হয়েছে, তাতে মুরগির মাংসের বিক্রি অনেকটাই কমে যাচ্ছে। যার ফলে পথে-ঘাটে বিভিন্ন জায়গায় খোলা হচ্ছে খাসির মাংসের দোকান। যা নিয়েও সাংবাদিকদের তরফে প্রশ্ন করা হয় তৃণমূলের বিধায়ক এবং চেয়ারম্যানকে। এছাড়াও গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য সাধারণ মানুষকে যেভাবে প্রতিনিয়ত অসুবিধায় পড়তে হয়, তা নিয়েও তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিকদের একাংশ। আর জনতার সঙ্গে সম্পর্কিত এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাংবাদিকদের তরফ শোনার পরে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে পড়েন তৃণমূল নেতৃত্বরা।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

আর পৌরসভা নির্বাচনের আগে এভাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতা করে, তৃণমূল নিজেদের ভাবমূর্তি ফেরানোর চেষ্টা করলেও, যেভাবে সাংবাদিকদের অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখে পড়তে হল তাদের, তাতে এই সমস্যার সমাধান তৃণমূল কত তাড়াতাড়ি করতে পারে, এখন সেই প্রশ্নই তুলতে শুরু করেছে একাংশ। যদিও বা এই ব্যাপারে সিউড়ি পৌরসভা তৃণমূলের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, “শহরে কয়েকটি শৌচাগার রয়েছে। বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় জায়গা পেতে অসুবিধে হচ্ছে বলে তা করা যায়নি। চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বাসস্ট্যান্ড নির্মাণের বিষয়টি পরিবহন দপ্তর দেখছে।”

অন্যদিকে এই ব্যাপারে তৃণমূল বিধায়ক অশোক চট্টোপাধ্যায় বলেন, “একাধিক বিষয় সম্বন্ধে এদিন আলোচনা হয়েছে। যেসব সমস্যার কথা উঠে এসেছে, সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করা হবে।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারন থেকে সমাজের বিশিষ্টজনের অভিযোগ শুনে তা সমাধান করাই এই কর্মসূচির অন্যতম অঙ্গ। কিন্তু তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব থেকে জনপ্রতিনিধিরা অত্যন্ত সুচারুভাবে আগে থেকেই তাদের এলাকার দিকে নজর রাখতেন, তাহলে তারা এমনিতেই এই সমস্যাগুলো টের পেতেন এবং তার সমাধান করতে পারতেন। কিন্তু তারা যে তা করেননি, তা এদিনের সাংবাদিকদের নিয়ে জলযোগ আহারেই সাংবাদিকদের প্রশ্নতেই পরিষ্কার হয়ে গেল বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

আপনার মতামত জানান -

ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!