এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > বাংলা থেকে ৬ আলকায়দা জঙ্গি গ্রেপ্তার হতেই জুম্মার নামাজের পরে বড়সড় বার্তা রাজ্যের ইমামদের!

বাংলা থেকে ৬ আলকায়দা জঙ্গি গ্রেপ্তার হতেই জুম্মার নামাজের পরে বড়সড় বার্তা রাজ্যের ইমামদের!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – সম্প্রতি মুর্শিদাবাদ থেকে জঙ্গী সন্দেহে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এএনআইএ। যার পরে গোটা রাজ্য জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। জানা যায়, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত যে সমস্ত ব্যক্তিরা গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাদের বেশিরভাগ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ। স্বভাবতই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বেশকিছু ব্যক্তি জঙ্গী সন্দেহে গ্রেফতার হওয়ায় সংখ্যালঘুদের সংগঠনের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে কি মনোভাব পোষণ করা হয়, তার দিকে নজর ছিল সকলেরই।

অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন, এর ফলে সংখ্যালঘুরা বিদ্রোহ ঘোষণা করতে পারেন। তবে তা তো হলই না। উল্টে দেশবিরোধী কোনো কাজ যে তারা সমর্থন করবেন না এবং কেউ করলে যে তারা এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন, তা কার্যত স্পষ্ট করে দিলেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ইমামরা। যার ফলে ইমামদের এহেন অবস্থানে খুশি হয়েছেন সাধারণ মানুষজন।

সূত্রের খবর, শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর ইমামদের বক্তব্যে মোবাইল ব্যবহারে সর্তকতার কথা উঠে এসেছে। যেখানে কাউকে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক বা সামাজিক মাধ্যমে দেশবিরোধী কোনো সংগঠনের ফাঁদে পা না দেওয়ার অনুরোধ করেছেন মুর্শিদাবাদের ইমামরা। এদিকে এই প্রসঙ্গে জলঙ্গীর এক ইমাম বলেন, “মসজিদ নিয়ে প্রশ্ন ওঠা বাঞ্ছনীয় নয়। সেই আবেদন মসজিদ কমিটির কাছে জানিয়েছি।”

অন্যদিকে এই ব্যাপারে মুর্শিদাবাদ জেলার ইমাম সংগঠনের অন্যতম সংগঠক নিজামুদ্দিন বিশ্বাস বলেন, “আমরা ইতিমধ্যেই জেলার বিভিন্ন ইমামদের নামাজের পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য বলেছি‌। ইসলাম কখনও জঙ্গী কার্যকলাপ সমর্থন করে না। যদি কেউ দেশবিরোধী কোনো কাজের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।” অর্থাৎ তাদের সম্প্রদায়ের কেউ কোনো ঘটনায় গ্রেপ্তার হলে তারা যে সেই অভিযুক্তের হয়ে গলা ফাটাবে না, তা কার্যত বুঝিয়ে দিলেন ইমামরা।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এদিন মোবাইল ফোনের ব্যবহার নিয়েও সর্তকতা প্রদান করতে দেখা যায় ডোমকলের একটি মসজিদের ইমামকে। এদিন তিনি বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমাদের মনে হয়েছে, যাবতীয় গন্ডগোলের উৎস স্মার্টফোন। ফলে সেই ব্যাপারে সকলকে সচেতন থাকার কথা বলেছি। কোনো ফাঁদে পা দেওয়া চলবে না।” একইভাবে সীমান্তবর্তী এলাকায় সকলকেই সর্তকতা বজায় চলতে হবে বলে সংগঠনের সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন জলঙ্গীর এক ইমাম সাহেব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশবিরোধী কাজের সঙ্গে যে সম্প্রদায়ের মানুষরাই যুক্ত হোক না কেন, সেই সম্প্রদায় প্রবলভাবে বিপাকে পড়ে।

এক্ষেত্রে মুর্শিদাবাদে আল-কায়দা জঙ্গি সন্দেহে বেশ কিছু ব্যক্তি গ্রেফতার হওয়ার পর যেভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নাম জড়াতে শুরু করেছিল, তাতে তারা অনেকটাই অস্বস্তিতে পড়েছিলেন। কিন্তু এবার সেই জেলার একাধিক মসজিদের ইমাম যেভাবে সকলকে সতর্ক থাকার কথা বলে দেশ বিরোধী কাজের সঙ্গে যুক্ত কাউকে যে রেয়াত করা হবে না – তা বুঝিয়ে দিল, তাতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ইমামদের ভাবমূর্তি অনেকটাই উজ্জ্বল হল বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোটা ঘটনায় ইমাম সাহেবদের সতর্কবার্তা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরা কতটা পালন করেন, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!