এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > বুধবারের বনধ নিয়ে সিপিএম এবং বিজেপির অভিযোগ মমতার দিকে, জোড়া ফাপড়ে তৃণমূল!

বুধবারের বনধ নিয়ে সিপিএম এবং বিজেপির অভিযোগ মমতার দিকে, জোড়া ফাপড়ে তৃণমূল!



 

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বনধ। তাই প্রথম থেকেই এই বনধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থন করবেন বলে আশা করতে দেখা গিয়েছিল বাম কংগ্রেসের মতো দলগুলোকে। তবে তারা ভালই জানত, 2011 সাল থেকে ক্ষমতায় আসা তৃণমূল কংগ্রেস যেভাবে বন্ধের বিরোধিতা করেছে, তাতে তারা কেউ সমর্থন করবে না।

আর শেষ পর্যন্ত তৃণমূল বনধকে সমর্থন না করার কথা জানিয়ে দেওয়ায় সিপিএমের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, মোদি এবং মমতা এক ছাতার তলায় আছে। আর তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বনধকে সমর্থন করছেন না। তবে সিপিএমের পাশাপাশি বনধ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করতে দেখা গেল বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকেও।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বাম কংগ্রেসের ডাকা ধর্মঘটের ব্যাপারে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ। আর সেখানেই সিপিএম এবং তৃণমূলকে একযোগে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁচলের তলায় লুকিয়ে সিপিএম বন্ধ করতে চাইছে। এটা আসলে বাম-তৃণমূলের অস্তিত্বের লড়াই। বাঁচার লড়াই নৈতিক না অনৈতিক সমর্থন, কাল বোঝা যাবে।”

অন্যদিকে বামেদের এই ধর্মঘট প্রসঙ্গে সিপিএমকে একতরফা কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “দুটি নির্বাচনে ওনারা 36 থেকে শূন্য হয়ে গিয়েছেন আগের বন্ধ কবে ছিল, কবে বন্ধ, কেন, বাংলার মানুষ জানতেই পারল না। দিদির কাছে আবেদন নিবেদন করছেন বাম নেতারা। ওনারা বলছেন সফল করে দিন। এটা আসলে ওদের অস্তিত্বের লড়াই।”

তাই প্রথম থেকেই তারা এই বন্ধের বিরুদ্ধে বলে জানিয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসে। এদিনও সাংবাদিক বৈঠক করে সেই ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেন তৃণমূল মহাসচিব তথা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু বনধ নিয়ে যেভাবে সিপিএমের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল তৃণমূলকে, ঠিক একই ভাবে বনধ সফল করতে তলায় তলায় “তৃণমূল- সিপিএম এক হয়েছে” বলে সেই তৃণমূলকেই কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলকে যে কটাক্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে যেতে হয়েছে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত প্রায় প্রত্যেকেই। এখন বনধের পক্ষে এবং বিপক্ষে থাকা দুই রাজনৈতিক দলের কটাক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল শাসক দল হিসেবে বন্ধের দিন কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
Facebook Friends
error: Content is protected !!