এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > কেমন হচ্ছে বনধ, জেনে নিন সকালের চিত্র

কেমন হচ্ছে বনধ, জেনে নিন সকালের চিত্র



 

অর্থনৈতিক মন্দা, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বন্ধ, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিরুদ্ধে আজ সারা দেশজুড়ে 24 ঘণ্টা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলো। তবে বাংলায় এই ধর্মঘট কেমন হবে, তা নিয়ে প্রথম থেকেই সংশয়ে ছিলেন সকলে। অনেকেই ভেবেছিলেন, বাম এবং কংগ্রেস কেন্দ্রের নীতির বিরুদ্ধে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।

ফলে সেদিক থেকে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে থাকা রাজ্যের শাসক দলের নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ধর্মঘটকে সমর্থন করলেও করতে পারেন। কিন্তু 2011 সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রতিটি ধর্মঘটের বিরুদ্ধে মত পোষণ করে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তাই ইসু সমর্থনযোগ্য হলেও, এই ধর্মঘটকে যে তারা সমর্থন করবেন না তা জানিয়ে দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। যার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের শাসক দল এই ধর্মঘট ব্যর্থ করার জন্য পুরমাত্রায় ময়দানে নামবে বলে জানানো হয়েছিল। সেই মত ইতিমধ্যেই বুধবারের এই বনধ ব্যর্থ করতে অফিস কাছারিতে সরকারি কর্মচারীদের আসা বাধ্যতামূলক করা সহ পরিবহন ব্যবস্থা সচল রাখতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের তরফে। কিন্তু প্রশাসন বনধ ব্যর্থ করতে নানা পদক্ষেপ নিলেও, কতটা সচল রয়েছে রাজ্য!


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, বিভিন্ন জায়গায় সকাল থেকেই বন্ধের সমর্থনে অবরোধ চলতে শুরু করেছে। বিপর্যস্ত হয়েছে ট্রেন চলাচল ব্যবস্থা। শিয়ালদহ শাখায় বর্তমানে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে। একইভাবে বারাসাত, বেলঘড়িয়া এবং শ্যামনগরেও রেল অবরোধ করেছেন আন্দোলনকারীরা। হাওড়া ব্রিজের বন্ধের দিনেও যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে বারাসাতের সন্নিকটে হৃদয়পুর স্টেশনে তিনটি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। যা নিয়ে এলাকায় প্রবল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। যাদবপুরে বামেরা বন্ধের সমর্থনে মিছিল করলেও, বর্তমানে সেখানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। কিন্তু কিছুটা হলেও উত্তরবঙ্গে এই বন্ধের দিনে অশান্তি লক্ষ্য করা গিয়েছে।

যেখানে জলপাইগুড়িতে ধর্মঘটীদের সঙ্গে বাস চালকদের বচসা শুরু হয়েছে।তবে রাজ্য প্রশাসনের তরফে এই বনধকে ব্যর্থ করাবার জন্য নানা প্রচেষ্টা চালানো হলেও, অন্যদিনের থেকে আজ যানবাহন কিছুটা হলেও কম দেখা যাচ্ছে রাজপথে। কিন্তু ধর্মঘট সেভাবে সফল হচ্ছে বলে ধরছেন না কেউই। তবে দিনের শেষে শেষ পর্যন্ত ধর্মঘটের পক্ষে থাকা ব্যক্তিরা কি দাবি করেন, আর কিই বা দাবি করে রাজ্য প্রশাসন! এখন সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!