এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বাম কংগ্রেসকে জোর ধাক্কা, বন্ধের দিন সচল থাকবে রাজ্য, নির্দেশ হাইকোর্টের!

বাম কংগ্রেসকে জোর ধাক্কা, বন্ধের দিন সচল থাকবে রাজ্য, নির্দেশ হাইকোর্টের!



 

“কত আশা করে এসেছি গো কাছে ডেকে লও।” কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ধর্মঘট ডেকে সেই ধর্মঘট যাতে সফল হয় তার জন্য এই ভাবেই ধর্মঘটের বন্দনা করতে দেখা গিয়েছিল বাম-কংগ্রেসের মত রাজনৈতিক দলগুলোকে। তবে প্রথম থেকেই নিজেদের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় এই ধর্মঘটের পূর্ণাঙ্গ বিরোধিতা করে রাজ্যকে সচল রাখার কথা শোনা গিয়েছিল বিজেপি বিরোধী নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়।

যার পরিপ্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপরে উপরে বিজেপির বিরোধিতা করলেও, এই ধর্মঘটকে সমর্থন না করে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিনি বিজেপির দোসর বলে দাবি করেছিল বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেস।তবে শেষ পর্যন্ত বাম এবং কংগ্রেসের ডাকা ধর্মঘট রাজ্যে কতটা সফল হয়, তার দিকে নজর ছিল সকলেরই।

বস্তুত, আজ বুধবার নাগরিকত্ব আইন, এনআরসি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বিলগ্নিকরণ সহ একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলো দেশজুড়ে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। কিন্তু এই বনধের বিরোধিতা করে হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বন্ধের দিন রাজ্য যাতে সচল থাকে, তার ব্যাপারে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয় বনধকে কেন্দ্র করে যাতে জনজীবন ব্যাহত না হয়, তা রাজ্য প্রশাসনকে সুনিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি রেল সড়ক, যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখা এবং জরুরী পরিষেবাগুলো সচল রাখার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এছাড়াও রাজ্যের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে খোলা থাকে, তার ব্যাপারেও হাইকোর্টের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যকে।

শুধু তাই নয়, প্রত্যেকবার বনধের সমর্থনে আন্দোলনকারীরা বন্ধের দিন অনেক সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করেন। ফলে এবার যাতে সেরকম কোনো ঘটনা না ঘটে, তার জন্যও রাজ্য প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আর হাইকোর্টের পক্ষ থেকে বন্ধের বিরুদ্ধে নির্দেশ দেওয়ায় এবং রাজ্যকে সচল রাখতে বলায় বাম-কংগ্রেসের ডাকা এই বনধ মুখ থুবরে পড়বে বলেই মনে করছে একাংশ।

অনেকে বলছেন, হাইকোর্টের নির্দেশের ফলে একদিকে যেমন রাজ্য প্রশাসনকে অসুবিধায় পড়তে হবে, তেমনই এর ফলে রাজ্য প্রশাসনের অনেকটাই সুবিধা হল। কেননা প্রথম থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস এই বনধের বিরোধিতা করায় তারা বিজেপির দোসর বলে দাবি করতে শুরু করেছিল বাম এবং কংগ্রেস। তবে এবার হাইকোর্ট নির্দেশ দেওয়ায় সেই বনধ ব্যর্থ করতে তৃণমূলের প্রশাসন আরও সক্রিয়ভাবে ময়দানে নামবে।

কিন্তু যদি বনধের সমর্থনে আন্দোলনকারীরা কোনোরূপ সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করে, তাহলে তার জবাব রাজ্য প্রশাসনকেই দিতে হবে। তাই এবার হাইকোর্টের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য প্রশাসন বনধ রুখতে এবং শান্তি স্থাপন করতে কতটা সক্ষম হয়! সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!