এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > ১২ ঘন্টার বনধ – উত্তরবঙ্গে বনধ না বৃষ্টি সফল কে তাই নিয়ে দ্বন্দ্ব, দক্ষিণবঙ্গে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

১২ ঘন্টার বনধ – উত্তরবঙ্গে বনধ না বৃষ্টি সফল কে তাই নিয়ে দ্বন্দ্ব, দক্ষিণবঙ্গে মিশ্র প্রতিক্রিয়া



পেট্রোপন্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সারা ভারত জুড়ে বিজেপি বিরোধী দলগুলি বনধ ডাকলেও গতকালের সেই বনধ কার্যকরী হলো না বাংলায় । ইস্যুকে সমর্থন জানালেও তাঁরা যে বনধের বিপক্ষে সে ব্যাপারে প্রথম থেকেই নিজেদের মত স্পষ্ট করেছিল শাসকদল তৃনমূল কংগ্রেস। সেইমত রাজ্যকে সচল রাখতে কড়া উদ্যোগও নিয়েছিল প্রশাসন।

আর পাঁচটা দিনের মতই এদিন জনজীবন মোটের ওপর স্বাভাবিকই ছিল। বামদের 12 এবং কংগ্রেসের 6 ঘন্টার গতকালের বনধে হাওড়া, হুগলী, দক্ষিন ও উত্তর 24 পরগনার কিছু জায়গায় বনধ সমর্থনকারীরা রাস্তা ও রেল অবরোধ করলে পরে তা উঠে যায়। তবে গোটা দক্ষিনবঙ্গের মধ্যে একমাত্র নদীয়া ও পুরুলিয়ায় এই বনধে ভালো সাড়া পড়েছে।

অপরদিকে এই বনধের দিনে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। অনেকেরই মতে, এখানে বৃষ্টির কাছে বনধ হেরে গেল। তবে গতকাল দিনের শেষে এই বনধ সফল না কি বনধ উপেক্ষা করে রাস্তায় বেরিয়েছে মানুষ সেই নিয়ে একএকরম বিবৃতি শোনা গেল বঙ্গের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের গলায়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এই বনধ প্রসঙ্গে এদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি নৈতিকভাবে ধর্মঘটের বিরুদ্ধে। কিন্তু আমরা এই বনধের ইস্যুকে সমর্থন করি। আমাকে কংগ্রেসের আহমেদ প্যাটেল ফোন করেছিলেন। আমি বলে দিয়েছি বনধে না থাকলেও প্রতিবাদে আছি।”

জানা গেছে, এদিন এই পেট্রোপন্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানাতে দিল্লিতে এক প্রতিবাদ সমাবেশে দলের সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়কে সেইখানে পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে বামদের দাবি, এদিন বনধ আটকাতে রাজ্যের পুলিস তাঁদের কর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করলেও এই বনধ সফল হয়েছে।

এদিনের বনধ সমর্থন না করায় রাজ্যের শাসকদল তৃনমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, “রাজ্যে ওরা বনধের বিরোধীতা করল আর দিল্লিতে আমাদেরই প্রতিবাদ সভায় নিজেদের সাংসদকে পাঠাল। এর চেয়ে বড় দ্বিচারিতা আর কি কছু হতে পারে?”

অন্যদিকে যাঁদের বিরুদ্ধে এই বনধ সেই বিজেপি বাংলার রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও এদিন দায়ী করেছেন রাজ্য সরকারকেই। কিন্তু কেন? রাজ্য ইস্যুকে সমর্থন করলেও তো বনধকে সমর্থন করেনি! তাও কেন রাজ্যের বিরোধীতা করছেন দিলীপ ঘোষ? এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখে বনধ সমর্থন করবেন না বললেও পরোক্ষভাবে এই বনধকে সমর্থন করেছেন। রাস্তায় সরকারি বাস চলেনি। বনধের বিরোধীতায় তৃনমূলের কেউ রাস্তায় নামেনি।” সব মিলিয়ে এখন বনধ সফল নাকি ব্যার্থ তা নিয়ে রাজনৈতিক কুটকচালি অব্যাহত বঙ্গভূমিতে।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!