এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বনধে বাসে আগুন লাগিয়ে খুন ও ষড়যন্ত্রের মামলায় গ্রেপ্তার বিজেপি-কর্মী, খোঁজ ‘বড় মাথার’

বনধে বাসে আগুন লাগিয়ে খুন ও ষড়যন্ত্রের মামলায় গ্রেপ্তার বিজেপি-কর্মী, খোঁজ ‘বড় মাথার’



ইসলামপুরের ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় বনধ ডেকে তাঁরা প্রমান করতে চেয়েছিল যে তাঁরা ছাত্রপ্রেমী। কিন্তু বাস্তবে এই ছাত্রপ্রেমের বদলে হিংসাত্মক মনোভাবই দেখালেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। সূত্রের খবর, গতকাল যখন বিজেপির ডাকা 12 ঘন্টার বাংলা বনধ চলছিল ঠিক তখনই জনসাধারন যাতে বিপদে না পরে সেই কারনে সরকারের ঘোষিত নীতি অনুযায়ী অনেক বাসই পথে নেমেছিল। সেইরকমই হাওড়া থেকে হরিমোহন ঘোষ কলেজগামী একটি বাস ব্রাবোর্ন রোডের ফ্লাইওভার থেকে নামার সময় হঠাৎই দুজন সেই বাসে লাফ দিয়ে উঠে পড়ে।

আর এরপরই চালক ও কন্ডাক্টরকে ভয় দেখিয়ে যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। আর দুই ব্যাক্তির সেই হুমকির জেরে কার্যত ভয় পেয়ে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সামনের একটি গাড়িতে ধাক্কা মারে ওই বাসটি। অভিযোগ, এরপরই বনধ সমর্থনকারীরা সেই সরকারি বাসে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাওড়া ব্রিজ ট্রাফিক গার্ডের ওসি এবং সার্জেন্টরা এসে দেখতে পান যে বাসের ভেতরে এক যুবক আটকে রয়েছে। তড়িঘড়ি কাচ ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করে পুলিশের তরফে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁকে জিজ্ঞাসিবাদ শুরু করে পুলিশ।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

সূত্রের খবর, পুলিশি জেরায় বসে বলে যে সে বিজেপি কর্মী। দেশলাই ও পেট্রোল নিয়ে সে এবং আরেকজন ব্যাক্তি বাসে উঠেছিল। আর তারাই এই আগুন ধরিয়েছে। আর এরপরেই সেই সঞ্জীব সিং নামে ওই বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলার রুজুর করার পাশাপাশি তাঁকে গ্রেপ্তার করে বড়বাজার থানার পুলিশ। এদিকে এই সঞ্জীব সিং যে বিজেপি কর্মী তা আরও নিশ্চিত হওয়া গেছে তার মোবাইলের কললিস্ট দেখে। যেখানে দেখা গেছে যে এই বাসে আগুন লাগার আগে মুরলিধর সেন লেন থেকে বিজেপি যে মিছিল করে সেখানে এই ধৃত ব্যাক্তি উপস্থিত ছিল। ফলে এখন এই বাসে আগুন লাগার পেছনে বিজেপির বড় কোনো নেতারও হাত রয়েছে কি না তা তদন্ত করে দেখতে চায় পুলিশ। এদিকে এই সঞ্জীব সিং তাঁদের কর্মীই নয় বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেছেন রাজ্য বিজেপির সাধারন সম্পাদক প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন সব মিলিয়ে সরকারি বাসে আগুন লাগানোর ঘটনায় বিজেপির কোনো রাঘববোয়ালের নাম উঠে আসে কি না সেদিকেই তীক্ষ্ন নজড় সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!