এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বৈশাখীকে চূড়ান্ত অপমান পার্থর, শোভনের তৃণমূলে ফেরা নিয়ে বাড়লো সংশয়

বৈশাখীকে চূড়ান্ত অপমান পার্থর, শোভনের তৃণমূলে ফেরা নিয়ে বাড়লো সংশয়



সবকিছু ঠিকঠাকই ছিল। কিন্তু হঠাৎই যেন ছন্দপতন ঘটল। শোভন চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় জনতা পার্টিতে নাম লেখালেও, বেশকিছু বার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে, আবার কখনও বা অফিসে গিয়ে তার সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা গেছে, শোভনবাবুর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু এবার তৃণমূল মহাসচিব তথা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চূড়ান্ত অপমানিত হয়ে কাঁদতে কাঁদতে বৈঠক থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গেল সেই শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবীকে।

সূত্রের খবর, মিল্লি আল আমিন কলেজের অধ্যক্ষ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পরিচালন সমিতির সদস্যদের নিয়ে এদিন বিকাশ ভবনে একটি বৈঠক ডাকেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আর সেখানেই বৈঠকের শুরুতে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উচ্চারণ করে তাকে চূড়ান্ত অপমান করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলে অভিযোগ। যেখানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “করোনা ভাইরাস যেমন পশ্চিমবঙ্গে ছড়িয়ে পড়েছে, তেমনই মিল্লি আল আমিন কলেজের ভাইরাস হচ্ছে বৈশাখী।”

শুধু তাই নয়, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে করা অপমানের সীমা এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে, বৈঠকে উপস্থিত সকলের কাছে চা পৌঁছলেও, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে তা দেওয়া হয়নি। কিন্তু এতকিছুর পরেও তা সহ্য করে যাচ্ছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী। তবে এতদিন ধরে মিল্লি আল আমিন কলেজের যে শিক্ষক বৈশাখী দেবীকে চূড়ান্ত অপমান করছিলেন, তাকে শিক্ষা দপ্তরের একটি উঁচু পদে বসানো হবে বলে জানানো হলে, তার তীব্র প্রতিবাদ করেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

শিক্ষামন্ত্রীকে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের নিয়ম মেনেই যা করার করতে হবে। আর এরপরই সেই বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আর এরপরই উত্তেজিত হয়ে পড়ে গোটা পরিস্থিতি। সূত্রের খবর, এরপরই রীতিমতো অপমানিত হয়ে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় কাঁদতে কাঁদতে বৈঠক থেকে বেরিয়ে যায়।

যার পরেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এবার চলল নবান্নে আমার নামে অভিযোগ করতে।” অন্যদিকে এই ব্যাপারে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাকে অনেক বকেয়া রয়েছে। তা কোনোদিন শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পাওয়ার জন্য তদ্বির করিনি। আমি কলেজের সবাইকে ভালোবাসি। তাদের সমস্যা নিয়েই বারবার শিক্ষামন্ত্রীর কাছে যাই। কেন উনি আজ অসৌজন্য দেখালেন, তা বলতে পারব না।” সব মিলিয়ে এবার বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বৈঠকে চরম দ্বন্দ্ব তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!