এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > বহিরাগত তত্বে তৃণমূলকে নজিরবিহীন আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

বহিরাগত তত্বে তৃণমূলকে নজিরবিহীন আক্রমণ দিলীপ ঘোষের



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যকে গেরুয়া চাদরে মুড়ে দিতে তৎপর হয়ে উঠেছে বিজেপি। এ কারণেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বারবার আসছেন পশ্চিমবঙ্গে। রাজ্যকে কয়েকটি জোনে ভাগ করে দিয়ে, একেকটি জোনের দেখাশোনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পাঁচজন হেভিওয়েট কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাকে। এরপর থেকেই মূলত শাসকদল তৃণমূল বিজেপিকে বারবার বহিরাগতের দল বলে কটাক্ষ করছে। আজ তৃণমূলের এই বহিরাগত কটাক্ষের মোক্ষম জবাব দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

আজ নিমতলায় চা-চক্রের অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই অনুষ্ঠান থেকেই তিনি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় তুলোধোনা করলেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে। জানালেন মাদার টেরিজা, ভগিনী নিবেদিতা বিদেশ থেকে এদেশে এসেছিলেন। তাঁদেরকে আপন করে নেওয়া হয়েছে, কিন্তু গুজরাট থেকে কেউ পশ্চিমবঙ্গে এলেই তাদেরকে বলা হচ্ছে বহিরাগত।

দিলীপ ঘোষ জানালেন যে, গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দেশের জাতীয় সংগীত জনগণমন লিখেছেন। যেখানে সারা দেশের নাম পাওয়া যায়। দিলীপ ঘোষ জানালেন শ্রীলংকার জাতীয় সংগীত লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতও লিখেছেন তিনি।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গের যে উন্নতি ঘটেছে তাতে কি অবাঙ্গালীদের কোন অবদান বা ভূমিকা নেই? কলকাতা যখন তৈরি হয়েছিল, তখন সেখানে বসবাস করতেন অবাঙালীরা। সেখানে তখন শ্রমিকের কাজ করতেন রাজ্যের মানুষেরা। তিনি অভিযোগ করলেন যে, রাজ্যের অর্থনীতির জন্য যারা অবদান রেখেছেন, তাদেরকেই বলা হচ্ছে বহিরাগত। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করেছেন যে, মুখ্যমন্ত্রীর ( দিদিমনির) মাথা খারাপ হয়ে গেছে, তাই সকলকেই তিনি বলছেন বহিরাগত।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ এর সঙ্গে জুড়ে দেবার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানেন ৪২ টি আসন পেয়ে কখনোই তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না, তাই বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হতে চেষ্টা করছেন তিনি। এ কারণে পশ্চিমবঙ্গে বারবার অশান্তি ছড়ানো হচ্ছে, বারবার হিংসা ছড়ানো হচ্ছে রাজ্যে। এমনি গুরুতর অভিযোগ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

দিলীপ ঘোষ জানালেন গতকাল মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন যে, রাজ্যে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, অপরাধ ইত্যাদি হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানালেন যে, এর কোনো তথ্য নেই। তিনি প্রশ্ন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী কেন ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য দিচ্ছেন না? তিনি অভিযোগ করেছেন যে, রাজ্যজুড়ে চলছে খুনের রাজনীতি। যাকে পছন্দ হচ্ছে না, খুন করা হচ্ছে তাকে।

অন্যদিকে, গতকাল সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি করেছিলেন যে, ১০০ দিনের কাজ সহ বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে প্রথম স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানালেন যে, রাজ্যে আসলে কি হচ্ছে, তা বলে গিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপি রাজ্য সভাপতি অভিযোগ করেছেন যে, এই সমস্ত কাজ গুলিতে প্রচুর কাটমানি নেওয়া যায় বলেই, বারবার টাকা চাওয়া হচ্ছে । বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেছেন লুঠ করা যায় বলেই ১০০ দিনের কাজের বেশি আগ্রহ দেখায় রাজ্য। এমন দুর্নীতি সারাদেশে কোথাও দেখা যায় না।

তৃণমূলের নামে আবারও অভিযোগ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি জানালেন রাজ্যে তৃণমূল সরকার থাকলেও, তৃণমূলের মন্ত্রী-সাংসদ, বিধায়কেরা দল ছেড়ে যাচ্ছেন। যার জন্য দোষ দেওয়া হচ্ছে বিজেপিকে। শাসকদল তৃণমূলে কোন ভদ্রলোক থাকতে পারেন না। তাই সবাই চলে আসছেন বিজেপিতে। তিনি জানান যে, গত ২০১১ সালে ক্ষমতা দখলের পর সিপিএমকে ভয় দেখিয়ে, ফোন করে হুমকি দিয়ে সমস্ত পঞ্চায়েত দখল করেছিল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী বুঝতে পারছেন, এখন কেমন লাগে।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!